মূল কনটেন্টে যান
শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬২২ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার ৭ নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
অনুসন্ধানী ও সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
সর্বশেষ

সুনামগঞ্জে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৫

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে জামালগঞ্জ থানার সামনের সড়কে বিএনপির দুটি পৃথক মিছিল মুখোমুখি হলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এক পক্ষে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুর রহমান, অন্য পক্ষে যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম মাহমুদ তালুকদার ও আবদুল মালিক। দুই পক্ষই অন্যের বিরুদ্ধে দায় দিয়েছে। আহতের সংখ্যা নিয়ে গণমাধ্যমে ভিন্ন তথ্য আছে (৫ থেকে ২০)। পুলিশ জানায়, দুই পক্ষ পৃথক স্থানে অবস্থান করছে এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে আছে।#Sunamganj #BNP #Jamalganj #Bangladesh #MeehaNews

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মিছিল করাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা সদরে থানা ভবনের সামনের সড়কে ঘটনাটি ঘটে। প্রথম আলোর তথ্যে উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। ফারুক আহমদ (৩০) নামের একজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে, বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। ঘটনার পর উপজেলা সদরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দিবসটি উপলক্ষে দুপুরে স্থানীয় বিএনপির দুটি পক্ষ আলাদা মিছিল বের করে। মিছিল দুটি থানার সামনের সড়কে মুখোমুখি হলে এক পক্ষ অন্য পক্ষকে সড়ক ছেড়ে দিতে রাজি হয়নি। এতে উত্তেজনা দেখা দেয়। পুলিশ এসে থামানোর চেষ্টা করে। এর মধ্যে ইটপাটকেল ছোড়া হলে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। পরে দুই পক্ষ লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এক পক্ষের নেতৃত্বে আছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুর রহমান, সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান ও জুলফিকার চৌধুরীসহ অন্যরা। অন্য পক্ষের নেতৃত্বে যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম মাহমুদ তালুকদার ও আবদুল মালিকসহ অন্যরা। মাসুম মাহমুদ তালুকদার প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের মিছিল শান্তিপূর্ণ ছিল। তাঁর অভিযোগ, চারজন যুগ্ম আহ্বায়কসহ বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের অনেক নেতা-কর্মী মিছিলে ছিলেন; প্রতিপক্ষ পথ রোধ করে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এতে তাঁদের তিন-চারজন আহত হয়েছেন। অপর পক্ষের নেতা ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জুলফিকার চৌধুরী বলেন, তাঁরা মিছিল শেষে উপজেলা পার্কে সমাবেশ করছিলেন। তখন প্রতিপক্ষ মিছিল নিয়ে এসে সেখানে স্লোগান দিতে শুরু করে। এতে উত্তেজনা দেখা দিয়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বন্দে আলী দুপুর দুইটার দিকে বলেন, দুটি মিছিল মুখোমুখি হওয়ায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও মারামারি হয়েছে। তখন দুই পক্ষ দুই জায়গায় অবস্থান করছিল এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে ছিল। পরে একাধিক গণমাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে জানানো হয়েছে। রাইজিংবিডির তথ্যমতে, ওসি বলেছেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আহতের সংখ্যা নিয়ে সব প্রতিবেদনে একই তথ্য নেই। বিডিনিউজ২৪ অন্তত পাঁচজনের কথা বলেছে। অন্য কয়েকটি পোর্টালে সংখ্যাটি ১০, ১২ ও ২০ বলা হয়েছে।
সুনামগঞ্জে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মিছিল করাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা সদরে থানা ভবনের সামনের সড়কে ঘটনাটি ঘটে। প্রথম আলোর তথ্যে উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। ফারুক আহমদ (৩০) নামের একজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে, বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। ঘটনার পর উপজেলা সদরে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দিবসটি উপলক্ষে দুপুরে স্থানীয় বিএনপির দুটি পক্ষ আলাদা মিছিল বের করে। মিছিল দুটি থানার সামনের সড়কে মুখোমুখি হলে এক পক্ষ অন্য পক্ষকে সড়ক ছেড়ে দিতে রাজি হয়নি। এতে উত্তেজনা দেখা দেয়। পুলিশ এসে থামানোর চেষ্টা করে। এর মধ্যে ইটপাটকেল ছোড়া হলে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। পরে দুই পক্ষ লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়।

এক পক্ষের নেতৃত্বে আছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুর রহমান, সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান ও জুলফিকার চৌধুরীসহ অন্যরা। অন্য পক্ষের নেতৃত্বে যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম মাহমুদ তালুকদার ও আবদুল মালিকসহ অন্যরা।

মাসুম মাহমুদ তালুকদার প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের মিছিল শান্তিপূর্ণ ছিল। তাঁর অভিযোগ, চারজন যুগ্ম আহ্বায়কসহ বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের অনেক নেতা-কর্মী মিছিলে ছিলেন; প্রতিপক্ষ পথ রোধ করে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এতে তাঁদের তিন-চারজন আহত হয়েছেন।

অপর পক্ষের নেতা ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জুলফিকার চৌধুরী বলেন, তাঁরা মিছিল শেষে উপজেলা পার্কে সমাবেশ করছিলেন। তখন প্রতিপক্ষ মিছিল নিয়ে এসে সেখানে স্লোগান দিতে শুরু করে। এতে উত্তেজনা দেখা দিয়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়।

জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বন্দে আলী দুপুর দুইটার দিকে বলেন, দুটি মিছিল মুখোমুখি হওয়ায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও মারামারি হয়েছে। তখন দুই পক্ষ দুই জায়গায় অবস্থান করছিল এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে ছিল। পরে একাধিক গণমাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে জানানো হয়েছে। রাইজিংবিডির তথ্যমতে, ওসি বলেছেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আহতের সংখ্যা নিয়ে সব প্রতিবেদনে একই তথ্য নেই। বিডিনিউজ২৪ অন্তত পাঁচজনের কথা বলেছে। অন্য কয়েকটি পোর্টালে সংখ্যাটি ১০, ১২ ও ২০ বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনটি আপনার কাছে কেমন লাগল?

অনলাইন ডেস্ক

মিহা নিউজ

এই প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত ভুল চোখে পড়লে সংশোধনী নীতি অনুযায়ী আমাদের জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য দেখতে বা লিখতে চাপ দিন। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা মেনে প্রকাশ হয়।

মিহা স্পেশাল

আজ

শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাঠের রং

এখন যা বেশি খোঁজা হচ্ছে

যেকোনো পাতায় / চাপলেই খোঁজ খুলবে। ফলাফলে বিভাগ, তারিখ ও ধরন দিয়ে ছাঁকতে পারবেন।