মূল কনটেন্টে যান
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬১৮ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার ৩ নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
অনুসন্ধানী ও সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
সর্বশেষ

আলমডাঙ্গায় ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পুলিশের হাতে, মামলা

আলমডাঙ্গার বন্দরভিটা আল হেলাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইনামুলের (৪৫) বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও এলাকাবাসী তাঁকে শ্রেণিকক্ষে আটকে রাখেন। পুলিশ উদ্ধার করে থানায় নেয়। শিশুটির বাবা মামলা করেছেন। ৩ নভেম্বর অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানোর কথা। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। প্রতিবেদন জমার সময় সাত কর্মদিবস।#Chuadanga #Almdanga #ChildSafety #Bangladesh #MeehaNews

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে অভিভাবক ও এলাকাবাসীর জটলা
অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার সময় বিদ্যালয়ে জড়ো হওয়া মানুষ

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে অশোভন আচরণ ও অনাকাঙ্ক্ষিত যৌন স্পর্শের অভিযোগে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও এলাকাবাসী। সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার বন্দরভিটা আল হেলাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম ইনামুল (৪৫)। অভিযোগটি এখনো প্রমাণিত হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি জানাজানি হলে অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। তাঁরা বিদ্যালয়ে জড়ো হয়ে শিক্ষককে একটি শ্রেণিকক্ষে আটকে বাইরে থেকে তালা দেন। খবর পেয়ে গাংনী তদন্ত কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পুলিশ নিয়ে সেখানে যান। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে তিনি শিক্ষককে উদ্ধার করেন। পরে তাঁকে আলমডাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

আলমডাঙ্গা থানার ওসি মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম জানান, শিশুটির বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) তাঁকে আদালতে পাঠানো হবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দীন বলেন, ঘটনার এক দিন আগে একটি গোপন সূত্রে তিনি এ বিষয়ে তথ্য পান। এরপর সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বখতিয়ার উদ্দীনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা মিললে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেছেন, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আগেও নানা অভিযোগ ছিল। তাঁদের দাবি, তিনি নিয়মিত গাঁজা ও ইয়াবা সেবন করেন। এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই হয়নি।

অভিভাবকেরা শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের ভাষ্য, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিশুদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা হওয়ার কথা। তাঁরা নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

প্রতিবেদনটি আপনার কাছে কেমন লাগল?

মীর জামান

স্টাফ রিপোর্টার

এই প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত ভুল চোখে পড়লে সংশোধনী নীতি অনুযায়ী আমাদের জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য দেখতে বা লিখতে চাপ দিন। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা মেনে প্রকাশ হয়।

মিহা স্পেশাল

আজ

মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাঠের রং

এখন যা বেশি খোঁজা হচ্ছে

যেকোনো পাতায় / চাপলেই খোঁজ খুলবে। ফলাফলে বিভাগ, তারিখ ও ধরন দিয়ে ছাঁকতে পারবেন।