মূল কনটেন্টে যান
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬১৮ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার ৩ নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
অনুসন্ধানী ও সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
সর্বশেষ

মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের আকাশ নজরদারি শেষ করল বিমানবাহিনী

‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান–২০২৬’-এর সহায়তায় ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর হেলিকপ্টারে আকাশ নজরদারি চালিয়েছে বিমানবাহিনী। ঢাকা থেকে মুন্সীগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, বরিশাল ও ভোলা, যশোর থেকে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা এবং চট্টগ্রাম থেকে কুতুবদিয়ার নদী ও উপকূলে অভিযান হয়েছে। সার্চলাইট ও নাইট ভিশন গগলস ব্যবহার করে রাতেও নজরদারি চালানো হয়েছে। মাঠপর্যায়ের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আকাশ থেকে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হয়।#MaIlish #BangladeshAirForce #HilsaConservation #ISPR #MeehaNews

মা ইলিশ রক্ষায় নদীর ওপর নজরদারিতে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার
খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার নদীতে নজরদারি মিশনে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারছবি: আইএসপিআর

ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে চালানো আকাশ নজরদারি (এয়ার সার্ভিল্যান্স) গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) শেষ করেছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে পরিচালিত ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান–২০২৬’-এর সহায়তা হিসেবে এ কার্যক্রম চলে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) আজ সোমবার তাদের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদী ও উপকূলীয় অঞ্চলে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে বিশেষ নজরদারি মিশন চালানো হয়।

আইএসপিআর জানায়, ঢাকা থেকে মুন্সীগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, বরিশাল ও ভোলার নদীতে নজরদারি হয়েছে। যশোর থেকে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা এবং চট্টগ্রাম থেকে কুতুবদিয়া অঞ্চলের নদী ও উপকূলেও অভিযান চালানো হয়। ঢাকা থেকে মাদারীপুর ও শরীয়তপুরের নদীতে টহলের সময় মাছ ধরার কিছু নৌযান চোখে পড়লে হেলিকপ্টার থেকে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সার্চলাইট (নাইট সান) জ্বালিয়ে সেগুলোকে সতর্ক করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হেলিকপ্টারে শক্তিশালী সার্চলাইট থাকায় সন্ধ্যার পরও নদীতে মাছ ধরার নৌযান সুনির্দিষ্টভাবে পর্যবেক্ষণ করা গেছে। বৈমানিক ও এয়ারক্রুরা রাতের নজরদারিতে নাইট ভিশন গগলস (এনভিজি) ব্যবহার করেন। আইএসপিআরের ভাষ্য, স্বল্প আলোতেও মা ইলিশ শিকারের নিষিদ্ধ কার্যক্রম শনাক্ত করতে এটি কার্যকর ছিল।

অভিযানে আকাশ থেকে ভূমিতে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হয়। মাঠপর্যায়ের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে নজরদারি চালানো হয়েছে।

নিয়মিত এ মিশনের বাইরে বিভিন্ন বিমানঘাঁটি থেকে পরিচালিত প্রশিক্ষণ ফ্লাইটের অংশ হিসেবে উপকূলীয় অঞ্চলে নিচ দিয়ে উড্ডয়নের (লো-লেভেল ফ্লাইট) মাধ্যমেও নজরদারি বজায় রাখা হয়েছে বলে জানায় আইএসপিআর।

‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা ও জাতীয় স্বার্থে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও চালিয়ে যাবে বিমানবাহিনী।

প্রতিবেদনটি আপনার কাছে কেমন লাগল?

অনলাইন ডেস্ক

মিহা নিউজ

এই প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত ভুল চোখে পড়লে সংশোধনী নীতি অনুযায়ী আমাদের জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য দেখতে বা লিখতে চাপ দিন। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা মেনে প্রকাশ হয়।

মিহা স্পেশাল

আজ

মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাঠের রং

এখন যা বেশি খোঁজা হচ্ছে

যেকোনো পাতায় / চাপলেই খোঁজ খুলবে। ফলাফলে বিভাগ, তারিখ ও ধরন দিয়ে ছাঁকতে পারবেন।