চট্টগ্রামে ট্রাক থামিয়ে ৩০ হাজার ইয়াবা আত্মসাতের অভিযোগ, সাতকানিয়া থানার তিন পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
২৪ অক্টোবর রাতে লোহাগাড়ার পুটিবিলায় ৩০ হাজার পিস ইয়াবাবাহী একটি মিনি ট্রাক থামানো হয়। অভিযোগ, তিন পুলিশ সদস্য ইয়াবা থানায় জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। এসআই এস এম মাহবুবুল ইসলাম, কনস্টেবল ফয়েজ আহমেদ ও গাজী মো. মহসিনকে সাতকানিয়া থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের ভাষ্য, তাঁদের কর্মকাণ্ডে অনিয়ম পাওয়া গেছে। ঘটনাটি তদন্তাধীন।#Chattogram #Satkania #Yaba #BangladeshPolice #MeehaNews

ট্রাক থামিয়ে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা আত্মসাতের অভিযোগে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও দুই কনস্টেবলকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাঁরা হলেন এসআই এস এম মাহবুবুল ইসলাম এবং কনস্টেবল ফয়েজ আহমেদ ও গাজী মো. মহসিন। তিনজনকে জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, অভিযুক্ত তিনজনের কর্মকাণ্ডে কিছু অনিয়ম পাওয়া গেছে। তাঁদের আগের ও পরের কাজ নিয়েও অভিযোগ আছে। এ কারণে প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে তাঁদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রথম আলোর তথ্যমতে, পুলিশ সুপারের সই করা চিঠিতে বুধবার প্রত্যাহারের আদেশ হয়। বিষয়টি জানাজানি হয় বৃহস্পতিবার। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মো. রাসেল প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, তদন্ত শেষে তিনজনের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগ ও পুলিশ সূত্র অনুযায়ী, ২৪ অক্টোবর রাতে কক্সবাজারের চকরিয়া থেকে একটি মিনি ট্রাকে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা চট্টগ্রামের দিকে নেওয়া হচ্ছিল। লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা ইউনিয়নের একটি নির্জন সড়কে পুলিশ সদস্যরা ট্রাকটি আটকান। ট্রাকচালক নাছিরের অভিযোগ, তাঁকে হাতকড়া পরিয়ে জিম্মি করা হয়। এরপর ট্রাকটি সাতকানিয়ার কেরানীহাট এলাকায় নেওয়া হয়। সেখানে পুলিশের দুই কথিত সোর্স রবিন ও মোমিনের সহযোগিতায় চালকের আসনের ভেতর থেকে ইয়াবা সরিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ।
পুলিশ সূত্রের বরাতে প্রথম আলো জানিয়েছে, প্রমাণ নষ্ট করতে ট্রাকের সিসিটিভি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মেমোরি কার্ড ফরম্যাট করা হয়েছিল। পুলিশ সূত্র বলছে, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আইটিভি বাংলার প্রতিবেদনে ঘটনার কিছু ভিন্ন বিবরণ আছে। সাতকানিয়া থানার সূত্রের বরাতে তারা জানায়, শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে ট্রাকটি থামানো হয়। দুই কনস্টেবল ট্রাকে উঠে চালকের পাশে বসে নিয়ন্ত্রণ নেন। এসআই মোটরসাইকেলে এবং দুই সোর্স মাইক্রোবাসে তাঁদের অনুসরণ করেন। কেরানীহাট রেলক্রসিং এলাকায় চালককে নামিয়ে দিয়ে তল্লাশি করা হয়। চালকের আসনের নিচে তিনটি পোটলায় ইয়াবা পাওয়া যায়। এরপর ট্রাকটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
সাতকানিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল আলীম বলেন, আত্মসাতের অভিযোগ তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে তিনজনকে থানা থেকে সরানো হয়েছে।





