কলমাকান্দায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে যুবক নিহত, আহত ৩, হেফাজতে ২
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে কলমাকান্দার পোগলা ইউনিয়নের খাতে সালেঙ্গা গ্রামে দুই পক্ষের সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে সাদ্দাম হোসেন (৩০) নিহত হন। সংঘর্ষে আরও তিনজন আহত হন। ওসি সোহেল রানা জানান, ছেলে-মেয়েসংক্রান্ত ঘটনা থেকে বিরোধের সূত্রপাত; জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজন হেফাজতে। নিহতের পরিবার মামলা করবে বলে জানিয়েছে।#Netrokona #Kalmakanda #Clash #MeehaNews

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে সাদ্দাম হোসেন (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও তিনজন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে পোগলা ইউনিয়নের খাতে সালেঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সাদ্দাম ওই গ্রামের আবুল হাশিমের ছেলে। কালবেলার তথ্যমতে তিনি অটোরিকশাচালক ছিলেন; বিডিনিউজ২৪ তাঁকে দর্জি লিখেছে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. এমএমএস মাটি জানান, হাসপাতালে আনার আগেই সাদ্দামের মৃত্যু হয়েছে। বিডিনিউজ২৪ ও নাগরিকের তথ্যমতে, আহতরা দুরবীন মিয়া (৩৬), আজহার (২২) ও হাদিস (৩০)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, একই গ্রামের জামাল মিয়ার সঙ্গে হক্কুন নামে একজনের পারিবারিক বিরোধ চলছিল। কিছুদিন আগে জামালের অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে নিয়ে হক্কুনের ছেলে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ। জামাল মামলা করলে পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার করে। এরপর দুই পক্ষে বিরোধ চলছিল।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, পারিবারিক বিরোধের পাশাপাশি মাদক কারবারের অভিযোগ ঘিরেও এলাকায় উত্তেজনা ছিল। জামাল মিয়া, চাঁন মিয়া ও সাদ্দাম গ্রামের মাদকবিরোধী কমিটির সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে। হক্কুনের বিরুদ্ধে গাঁজার কারবারের অভিযোগ আছে এবং এক সপ্তাহ আগে তিনি জামিনে ছাড়া পেয়ে এলাকায় ফেরেন। শুক্রবার রাতে চাঁন মিয়া ও হক্কুনের পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ালে সাদ্দাম টেঁটাবিদ্ধ হন। হক্কুনের পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা শনিবার দুপুরে বলেন, ছেলে-মেয়েসংক্রান্ত একটি ঘটনা থেকে বিরোধের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। শনিবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দাফনের পর নিহতের পরিবার মামলা করবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে এবং তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।





