ছয় মাসের মধ্যে মাদার ট্রি চিহ্নিত ও সংরক্ষণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছয় মাসের মধ্যে দেশের মাদার ট্রি চিহ্নিত ও সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন। রোপণ করা চারার নিয়মিত পরিচর্যা এবং মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব জনবল দিয়ে চারার বেঁচে থাকার হার নজরদারির কথা বলা হয়েছে। অন্য মন্ত্রণালয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম গাছ লাগালে ঘাটতি পূরণ করবে পরিবেশ মন্ত্রণালয়। ঢাকার বায়ুদূষণকে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় লজ্জা বলেছেন; ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা ঠিকমতো বাস্তবায়নের কথাও বলেন। #Environment #TarequeRahman #TreePlantation #DhakaAirPollution #MeehaNews

দেশের মাদার ট্রি (mother tree) ছয় মাসের মধ্যে চিহ্নিত করে সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা-বিষয়ক সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।
মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ ও ভারপ্রাপ্ত সচিব ফাহমিদা খানম। মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ছিলেন।
সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, রোপণ করা চারার নিয়মিত যত্ন নিশ্চিত করতে হবে এবং মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব লোকবল দিয়ে চারা বেঁচে থাকার হার তদারক করতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রামে বনায়ন বাড়ানোর নতুন উপায় খুঁজতে বলা হয়েছে। অন্য কোনো মন্ত্রণালয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম গাছ লাগালে ঘাটতি পূরণে পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে নিজ উদ্যোগে ব্যবস্থা নিতে হবে। টিবিএস বাংলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বন ও পরিবেশ-সংক্রান্ত সব পরিকল্পনায় জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমও যুক্ত করতে বলা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের প্রকৃতির কাছে যাওয়ার সুযোগ কম; তাই খোলা সবুজ জায়গা বাড়াতে হবে। তিনি ছাদবাগান, স্কুলবাগান ও অন্যান্য ভবনে বাগান করতে উৎসাহিত করেন। তাঁর মতে, সরকারি উদ্যোগ সফল করতে জনসচেতনতা জরুরি; মানুষ যত সচেতন হবে, বাস্তবায়ন তত সহজ হবে। সচেতনতামূলক কার্যক্রমের আলাদা পরিকল্পনা থাকা উচিত বলেও তিনি জানান।
ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বছরের পর বছর ঢাকা বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় প্রথম বা দ্বিতীয় স্থানে থাকছে। তিনি একে জাতীয় লজ্জা বলেন এবং দায়িত্ব নিতে সবাইকে আহ্বান জানান।
কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নির্ধারিত দায়িত্বের বাইরেও কাজ করতে হবে। দপ্তরের নয়টা-পাঁচটার চাকরি স্বাভাবিক, তবে পরিবেশের ক্ষতি হলে তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ভোগাবে। দেশজুড়ে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঠিকমতো বাস্তবায়ন হলে প্রত্যেক নাগরিক এর সুফল পাবেন।





