‘সাড়ে ৪ থেকে ৫ বছর বাঁচব’ শুনে ভেঙে পড়েছিলেন তানিয়া বৃষ্টি, ফিরলেন অভিনয়ে
ব্রেন টিউমারের চিকিৎসার পর দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে ইকসান রনির পরিচালনায় ‘অংশীদার’ নামের একক নাটকের শুটিংয়ে ফিরেছেন তানিয়া বৃষ্টি। তাঁর ভাষ্য, চেন্নাইয়ের এমজিএম হাসপাতালের একজন অনকোলজিস্ট তাঁকে জানিয়েছিলেন, তিনি আর সাড়ে চার থেকে পাঁচ বছর বাঁচবেন। ঢাকায় একবার ও চেন্নাইয়ে আরেকবার অস্ত্রোপচারের পাশাপাশি তাঁকে কেমোথেরাপির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। ৩ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে তিনি নিজের শারীরিক অবস্থার উন্নতির কথা জানান।#TaniaBrishty #BrainTumor #BangladeshiDrama #MeehaNews

ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা শেষে দীর্ঘ বিরতির পর আবার ক্যামেরার সামনে ফিরেছেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন থাকার সময় একজন অনকোলজিস্ট (oncologist) তাঁকে বলেছিলেন, তিনি আর সাড়ে চার থেকে পাঁচ বছর বাঁচবেন।
তানিয়ার বর্ণনা অনুযায়ী, শুটিং চলার সময় তিনি তীব্র মাথাব্যথা ও বমিতে অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা করালে মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ে। ঢাকার একটি হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করে তা অপসারণ করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি ভারতের চেন্নাইয়ের এমজিএম হাসপাতালে যান। সেখানে আরও একটি জটিল অস্ত্রোপচার ও কেমোথেরাপি নিতে হয়। রেডিওথেরাপি ও লাইফ সাপোর্টের মধ্য দিয়েও যেতে হয়েছে তাঁকে।
আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিবেদনে উদ্ধৃত তানিয়ার বক্তব্য অনুযায়ী, প্রথম অস্ত্রোপচারের পর তিনি ভেবেছিলেন অপারেশনেই সব ঠিক হয়ে যাবে। চেন্নাইয়ে চিকিৎসকের কথা শুনে তিনি জীবনে প্রথম বড় ধাক্কা খান। তিনি বলেন, ‘প্রচণ্ড কেঁদেছি।’
কঠিন সময়ে পাশে থাকার জন্য তানিয়া মা ও বোনের কথা বিশেষভাবে বলেছেন, যাঁরা রাত জেগে তাঁর সেবা করেছেন। ভক্তদের দোয়া এবং নাট্যাঙ্গনের সহকর্মীদের নিয়মিত খোঁজখবরও তাঁকে বাঁচার প্রেরণা জুগিয়েছে বলে জানান তিনি। ৩ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে তিনি নিজের শারীরিক অবস্থার উন্নতির কথা জানান।
এরপর ইকসান রনির পরিচালনায় ‘অংশীদার’ নামের একক নাটকের শুটিংয়ে অভিনয়ে ফেরেন তানিয়া। রোগের নাম শুনে মনোবল হারালে চলবে না, সঠিক চিকিৎসা ও মানসিক দৃঢ়তা থাকলে কঠিন পরিস্থিতিও কাটিয়ে ওঠা সম্ভব বলে মনে করেন এই অভিনেত্রী।





