বরিশালের উজিরপুরে যুবদলকর্মীকে কুপিয়ে হত্যা, আটক ৯
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে উজিরপুরের সাতলায় কাওসার হাওলাদারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনায় নয়জনকে আটক করেছে পুলিশ। পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি, জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য, হত্যার পেছনে পূর্বশত্রুতা রয়েছে। নিহতের স্বজনের দাবি, ফেসবুক স্ট্যাটাস নিয়ে বিরোধ ছিল। মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টা করছে পুলিশ।#Barishal #Uzirpur #Murder #MeehaNews

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলায় কাওসার হাওলাদার নামে এক যুবদলকর্মীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় নয়জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে সাতলা ইউনিয়নের বরিশাল-গোপালগঞ্জ সীমান্তঘেঁষা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একদল লোক ধাওয়া করলে কাওসার ও রাশেদ আমিন নামে আরেকজন সেতুর নিচের পানিতে ঝাঁপ দেন। এরপর তাঁরা পাশের এক বাড়িতে আশ্রয় নেন। হামলাকারীরা সেখানে ঘরের দরজা ভেঙে ঢুকে কাওসারকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। কাওসার ভাড়ায়চালিত মোটরসাইকেল চালাতেন। তাঁর বাড়ি আলমদী গ্রামে।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের তথ্যমতে, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পদ্মা সেতুর ঢোলা প্লাজার আগে থেকে একটি মাইক্রোবাসসহ নয়জনকে আটক করে। উজিরপুর মডেল থানার ওসি রাকিবুল ইসলাম বলেন, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। হত্যায় ব্যবহৃত দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টাও চলছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
বরিশালের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলাউল হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, তদন্তের স্বার্থে আটক ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় আপাতত প্রকাশ করা হচ্ছে না। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
হত্যার কারণ নিয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা পূর্বশত্রুতার কথা বলছেন। নিহতের চাচাতো ভাই রাশেদ আমিনের দাবি, ফেসবুক স্ট্যাটাস নিয়ে এলাকার কয়েকজনের সঙ্গে তাঁদের বিরোধ চলছিল। তাঁর ভাষ্য, ঘটনার দিন বিকেলে সাতলা একতা বাজারে ওই পক্ষের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। হামলাকারীদের মধ্যে কয়েকজনকে চিনতে পেরেছেন বলেও তিনি দাবি করেন। এই দাবি পুলিশ এখনো নিশ্চিত করেনি।





