খুলনায় পিতাকে বেঁধে মাকে তুলে নিয়ে গেলেন ছেলে
খুলনার পাইকগাছায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বৃদ্ধ বাবা ও বোনকে মারধর করে গাছে বেঁধে রাখার অভিযোগ উঠেছে বড় ছেলে আব্দুর রহমান গাজীর বিরুদ্ধে। পরিবারের অভিযোগ, বৃদ্ধা মা রাবেয়া বেগমের হাত-পা বেঁধে জোর করে তাঁকে ছেলের বাসায় নেওয়া হয়েছে। আব্দুর রহমান মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, মাকে নিজের কাছে রাখতে এনেছেন। থানায় শনিবারের শুনানিতে উভয় পক্ষ আগামী বুধবার পর্যন্ত সময় নিয়েছে। মায়ের বক্তব্য এখনো জানা যায়নি।#Paikgachha #Khulna #FamilyDispute #LandDispute #MeehaNews

খুলনার পাইকগাছায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বৃদ্ধ বাবা ও বোনকে মারধর করে গাছে বেঁধে রাখা এবং মাকে জোর করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে বড় ছেলে আব্দুর রহমান গাজীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
আজ শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে পাইকগাছা থানায় উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে অভিযোগের শুনানি হয়। শুনানিতে বৃদ্ধ ওমর আলী গাজী (৮০) ছেলের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ করে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
পরিবার ও থানায় করা অভিযোগ অনুযায়ী, উপজেলার পাটকেলপোতা গ্রামের ওমর আলী গাজীর দুই ছেলে ও চার মেয়ে। ছোট ছেলে প্রবাসে থাকেন। ওমর আলী ও তাঁর স্ত্রী রাবেয়া বেগম (৬৫) ছোট ছেলের সংসারে থাকেন। বড় ছেলে আব্দুর রহমান পরিবার নিয়ে পাইকগাছা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে থাকেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রায় আট মাস আগে ওমর আলী এক বিঘা জমি ছোট ছেলের নামে রেজিস্ট্রি করে দেন। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি রাবেয়া বেগমের নামে থাকা আরও তিন বিঘা জমি লিখে নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে বিরোধ জটিল হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২ নভেম্বর সকাল ৮টার দিকে আব্দুর রহমান তাঁর দুই ছেলে রাকিবুল্লাহ গাজী ও রিয়াজুল্লাহ গাজী এবং স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে যান। সেখানে তাঁরা ওমর আলী ও বড় বোন ইরানী বেগমকে মারধর করেন এবং দড়ি দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। এরপর রাবেয়া বেগমের হাত-পা বেঁধে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলে করে পাইকগাছা পৌর এলাকায় আব্দুর রহমানের বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি এখনো সেখানেই আছেন।
একই দিন ইরানী বেগম বাদী হয়ে ভাই আব্দুর রহমান ও দুই ভাইপোর বিরুদ্ধে পাইকগাছা থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
আব্দুর রহমান বলেন, মাকে নিজের কাছে রাখতেই তিনি নিয়ে এসেছেন। তাঁর দাবি, বাবা ছোট ছেলেকে জমি লিখে দিয়েছেন, তিনিও জমি চান।
থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হারুন-অর-রশিদ বলেন, উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত পক্ষ রাবেয়া বেগমকে থানায় আনেননি, ফলে তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি। উভয় পক্ষ আগামী বুধবার পর্যন্ত সময় নিয়েছে। তাঁরা এর মধ্যে নিজেরা মীমাংসা করবেন বলে জানিয়েছেন।





