নড়াইলের লোহাগড়ায় বাবাকে বঁটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বেলা একটার দিকে লোহাগড়ার লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়নের বয়রা গ্রামে আফসার শেখ (৬০) বঁটির কোপে নিহত হন। অভিযোগ উঠেছে, ছেলে খায়রুল শেখ (২৫) মাদকের টাকার জন্য তাঁকে কুপিয়েছেন। ঘটনার পর থেকে খায়রুল পলাতক। পুলিশ খায়রুলের মা ও স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।#Narail #Lohagara #BangladeshNews #MeehaNews

নড়াইলের লোহাগড়ায় মাদকের টাকার জন্য বাবাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বেলা একটার দিকে উপজেলার লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়নের বয়রা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম আফসার শেখ (৬০)। অভিযুক্ত ছেলে খায়রুল শেখ (২৫) ঘটনার পর পালিয়ে গেছেন।
পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন প্রথম আলোকে জানান, খায়রুল মাদকাসক্ত। মাদকের টাকার জন্য তিনি প্রায়ই বাবাকে মারধর করতেন। টাকা না পেলে বাড়ির জিনিসপত্র ভাঙচুর করতেন, চুরিও করতেন। এ কারণে তাঁর স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন। বিষয়টি নিয়ে সালিসও হয়েছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে প্রথম আলো জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে আসেন খায়রুল। তখন আফসার শেখ বাড়ির পাশের বাজারে গিয়েছিলেন। হঠাৎ খায়রুল ধারালো বঁটি নিয়ে বাবাকে কোপাতে শুরু করেন। ঘটনাস্থলেই আফসারের মৃত্যু হয়। বাড়ির অন্যদের চিৎকারে খায়রুল পালিয়ে যান।
আফসারের বড় ছেলের স্ত্রী রিমা খানম প্রথম আলোকে বলেন, শ্বশুর বাজার থেকে ফেরার আগে খায়রুল বাড়িতে আসেন। তিনি জানতে চান, দাও কোথায়। রিমা জানান, দাও ভাসুর নিয়ে গেছেন। খায়রুল বলেন, ডাব কাটবেন। এরপর মায়ের খোঁজ করেন তিনি। রিমা একটু সরে গেলে শ্বশুরের কাশির শব্দ শোনেন। পেছনে ফিরে দেখেন, খায়রুল শ্বশুরকে কোপাচ্ছেন। রিমার ভাষ্য, গত এক বছর ধরে নেশার টাকার জন্য খায়রুল প্রায়ই বাবাকে মারধর করতেন। আত্মগোপনে থাকায় অভিযুক্তের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম জানান, বঁটি দিয়ে আফসারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শরীরে একাধিক কোপের চিহ্ন আছে। পুলিশ সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। খায়রুলকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আজকের পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী পুলিশ খায়রুলের মা আনোয়ারা বেগম ও স্ত্রী জুঁই খানমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছিল। তাঁদের বর্তমান অবস্থা জানা যায়নি।





