গাইবান্ধায় ধর্ষণের অভিযোগে মহিলা মাদ্রাসার পরিচালক গ্রেপ্তার
ধর্ষণ মামলার আসামি, গাইবান্ধা সদরের একটি মহিলা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মো. হাসান আলীকে (৬৯) পলাশবাড়ীর ঢোলভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-১৩। এজাহার অনুযায়ী, ২৮ আগস্ট তাঁর বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে। ১ সেপ্টেম্বর গাইবান্ধা সদর থানায় মামলা হয়। মামলার পর তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। এসআরবি তাঁকে ধরে থানায় হস্তান্তর করে এবং পরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।#Gaibandha #RapeCase #SRB13 #BangladeshCrime #MeehaNews

গাইবান্ধার একটি মহিলা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মো. হাসান আলীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১৩)। শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে পলাশবাড়ী উপজেলার ঢোলভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শ্যামলী ট্রাভেলসের বাস কাউন্টারের সামনে থেকে তাঁকে ধরা হয়।
হাসান আলীর বয়স ৬৯। বাড়ি গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের পোড়াবাড়ির মোড় এলাকায়। তাঁর বাবার নাম মৃত কছিম উদ্দিন। রোববার (১ নভেম্বর) বিকেলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেন এসআরবি-১৩-এর মিডিয়া বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী।
বিজ্ঞপ্তিতে মামলার এজাহারের বরাতে বলা হয়, প্রায় ছয় মাস ধরে ভুক্তভোগীকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন অভিযুক্ত। বিষয়টি জানতে পেরে ভুক্তভোগীর বাবা-মা তাঁকে ফোন করলে তিনি মৌখিকভাবে ভুল স্বীকার করেন এবং আর এমন না করার কথা বলেন। এজাহারের অভিযোগ অনুযায়ী, ২৮ আগস্ট ফজরের নামাজের পর সকাল ছয়টার দিকে তিনি ভুক্তভোগীকে নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ঘটনা কাউকে জানালে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেন এবং বাবা-মায়ের সঙ্গে যোগাযোগও বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ।
পরে ভুক্তভোগী কৌশলে মোবাইল ফোনে ঢাকায় থাকা বাবা-মাকে ঘটনাটি জানান। ৩১ আগস্ট গাইবান্ধায় এসে মেয়ের কাছে সব শুনে ১ সেপ্টেম্বর গাইবান্ধা সদর থানায় ধর্ষণ মামলা করেন তাঁরা।
মামলার পর থেকে হাসান আলী আত্মগোপনে ছিলেন। তাঁকে ধরতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায় এসআরবি-১৩। গাইবান্ধা ক্যাম্পের সিপিসি-৩-এর একটি দল অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং আইনি ব্যবস্থার জন্য থানায় হস্তান্তর করে।
গাইবান্ধা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) স্বপন কুমার রায় জানান, আসামিকে থানায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এজাহারের অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। আসামি পক্ষের বক্তব্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।





