খুলনায় ১১ দলীয় জোটের লংমার্চের পথে ককটেল বিস্ফোরণ, হতাহত নেই
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে খুলনার ফুলবাড়ী গেট এলাকায় শহীদ মিনারের সামনে সড়কে পরপর দুটি ককটেল ফাটে। একটি ককটেল অবিস্ফোরিত ছিল। কেউ হতাহত হননি। পুলিশ অবিস্ফোরিত ককটেলটি উদ্ধার করেছে। কারা জড়িত, তা শনাক্তের চেষ্টা চলছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ করেননি। জামায়াতের স্থানীয় এক নেতা বলেছেন, ককটেল গাড়িবহর লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে। জুগান্তরের প্রতিবেদনে স্থানীয়দের বরাতে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণ ফাঁকা সড়কে হয়েছে। ককটেলের সংখ্যা ও সময় নিয়ে বিভিন্ন সূত্রের তথ্যে ভিন্নতা আছে।#Khulna #LongMarch #11PartyAlliance #MeehaNews

খুলনায় ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের গাড়িবহরের পথে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ফুলবাড়ী গেট এলাকার শহীদ মিনারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। বহর তখন খুলনা থেকে ফুলতলা উপজেলার পথসভায় যাচ্ছিল। কেউ হতাহত হননি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিববাড়ী মোড়ের জনসভা চলার সময় বহরের কয়েকটি গাড়ি ফুলতলার দিকে রওনা হয়। কয়েকটি গাড়ি ফুলবাড়ী গেট পার হওয়ার পর, পেছনের গাড়ি পৌঁছানোর আগে শহীদ মিনারের সামনে সড়কের ওপর পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। আরেকটি ককটেল অবিস্ফোরিত অবস্থায় পাওয়া যায়। হঠাৎ বিস্ফোরণে সড়কের দুই পাশে দাঁড়ানো মানুষ আতঙ্কে ছোটাছুটি করেন। পুলিশ পৌঁছালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল বাসার জানান, অবিস্ফোরিত ককটেলটি উদ্ধার করা হয়েছে। কারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা শনাক্তের প্রক্রিয়া চলছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত থানায় কেউ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেননি।
ঘটনার বিবরণে ভিন্নতা আছে। বাংলানিউজ২৪ ও রাইজিংবিডির প্রতিবেদনে ওসির বরাতে বলা হয়েছে, তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের খবর তিনি পেয়েছেন এবং লংমার্চের বহর পৌঁছানোর প্রায় আধা ঘণ্টা আগে ঘটনাটি ঘটে। খানজাহান আলী থানা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ইসমাইল হোসেন পারভেজ ওই দুই পোর্টালকে বলেন, বহরের এক-দুটি গাড়ি পার হওয়ার পর হেলমেট ও মাস্ক পরা ছয়-সাতজন ৫-৬টি ককটেল ফাটায়। তাঁর দাবি, এগুলো গাড়িবহর লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে। সড়কের পাশে তখন নেতাদের স্বাগত জানাতে শত শত নারী কর্মী দাঁড়িয়ে ছিলেন বলেও তিনি জানান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এর আগে একই ব্যক্তিরা বাস স্ট্যান্ড-সংলগ্ন অভ্যর্থনা তোরণের একাংশে আগুন দেয়। অন্যদিকে যুগান্তরের প্রতিবেদনে স্থানীয়দের বরাতে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণ বহর লক্ষ্য করে নয়, ফাঁকা সড়কে হয়েছে।
বাংলানিউজ২৪-এর তথ্যমতে, পরে গাড়িবহর নির্বিঘ্নে এলাকা ছাড়ে।
সাত দফা দাবিতে ১১ দলীয় জোট ঢাকা থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত এই লংমার্চ করছে। খুলনার শিববাড়ী মোড় ও ফুলতলায় সমাবেশের পর বহরটি যশোর, চুয়াডাঙ্গা হয়ে কুষ্টিয়ায় যাওয়ার কথা।





