সৌদিতে সোফা কারখানার আগুনে নিহত বাকি ৭ জনের মরদেহ দেশে, নওগাঁয় পৌঁছল ৫ জনের লাশ
৯ আগস্ট রিয়াদের সোফা কারখানার আগুনে ১৬ বাংলাদেশি নিহত হন; ২৭ আগস্ট নয়জনের মরদেহ আসে, বাকি সাতজনের মরদেহ শনিবার (৩১ অক্টোবর) দেশে পৌঁছায়। বাকি সাতজনের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষায় শনাক্ত; এর মধ্যে পাঁচজন নওগাঁর, দুজন নাটোরের। নওগাঁর পাঁচজনের মরদেহ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে গ্রামে পৌঁছায়। জেলা প্রশাসক বলেছেন, মরদেহ বিনা খরচে আনা হয়েছে এবং পরিবারগুলোকে সহায়তা দেওয়া হবে।#SaudiArabia #Naogaon #MigrantWorkers #MeehaNews

সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাকি সাত বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। এঁদের মধ্যে পাঁচজন নওগাঁর। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-৩৩৬ ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহগুলো পৌঁছায়। সেখান থেকে ফ্রিজিং গাড়িতে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নওগাঁর পাঁচজনের মরদেহ নিজ নিজ গ্রামে নেওয়া হয়।
প্রিয়জনকে শেষবার দেখতে গাড়ির পাশে ভিড় করেন স্বজন ও স্থানীয় লোকজন।
গত ৯ আগস্ট রিয়াদের ওই কারখানায় আগুনে ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়। ২৭ আগস্ট প্রথম দফায় নয়জনের মরদেহ ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে শনাক্ত করে দেশে আনা হয়েছিল। বাকি সাতজনের শরীর আগুনে মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় তখন পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি। পরে ডিএনএ পরীক্ষায় তাঁদের শনাক্ত করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর মুহাম্মদ রেজায়ে রাব্বি স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
শনাক্ত সাতজনের পাঁচজন নওগাঁর, দুজন নাটোরের। নওগাঁর পাঁচজন হলেন সদর উপজেলার পার নওগাঁর মজনু রহমানের ছেলে শাহিন এবং আত্রাই উপজেলার চারজন: ডুবাই গ্রামের নাজমুল হুদার ছেলে হাসিবুল হাসান শুভ, মধ্যবোয়ালিয়ার আক্কাস প্রামানিকের ছেলে মিনহাজ প্রামানিক, মাধবপুরের মজনু সরদারের ছেলে মাসিদুল সরদার সজিব এবং সাধনগরের আজহার আলীর ছেলে সাগর আলী।
নাগরিকের তথ্যমতে, ১০ অক্টোবর থেকে রিয়াদ থেকে সরাসরি সব ফ্লাইট বন্ধ থাকায় মরদেহগুলো দূতাবাসের সহায়তায় সড়কপথে জেদ্দায় নেওয়া হয়। এ কারণে দুর্ঘটনার প্রায় তিন মাস পর মরদেহ দেশে ফেরে।
নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, মরদেহ বিনা খরচে আনা হয়েছে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবারগুলোকে সার্বিক সহযোগিতা দেওয়া হবে।





