চুনারুঘাটে নকলে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে লাঞ্ছিতের অভিযোগ, দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী বহিষ্কার
নির্বাচনী পরীক্ষার হলে নকলে বাধা দেওয়ায় সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ আল-আমিনকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অধ্যক্ষের কার্যালয় থেকে জারি করা আদেশে ওই শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ঘটনার পর বুধবার (২৮ অক্টোবর) দিনভর স্কুলে বিক্ষোভ ও উত্তেজনা ছিল; ইউএনও ও এএসপির উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ওসি জানান, বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।#Habiganj #Chunarughat #Education #MeehaNews

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে নির্বাচনী পরীক্ষার হলে নকলে বাধা দেওয়ায় এক সহকারী শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) গাজীপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয় থেকে জারি করা আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বহিষ্কার আদেশে বলা হয়, বুধবার (২৮ অক্টোবর) ইংরেজি প্রথম পত্রের নির্বাচনী পরীক্ষা চলাকালে ২ নম্বর কক্ষের পরিদর্শক সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ আল-আমিনের সঙ্গে ওই শিক্ষার্থী অসদাচরণ করেন এবং তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। শিক্ষার্থী মানবিক বিভাগের।
অন্য একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সহপাঠীর খাতা দেখে লিখতে বাধা দেওয়ায় শিক্ষককে ঘুষি মারার অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষক বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে মামলা বা আইনি পদক্ষেপের কোনো তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর বুধবার দুপুর থেকে স্কুলে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযুক্তের শাস্তি ও স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে মাঠ ও চত্বরে জড়ো হয়ে স্লোগান দেন। স্থানীয় লোকজনও সেখানে জড়ো হন। হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদের নির্দেশে চুনারুঘাট থানা পুলিশ, এসআরবি, ডিবি ও রিজার্ভ ফোর্সের সদস্যরা মোতায়েন হন বলে জানিয়েছে ক্যাম্পাস টাইমস। তাদের তথ্যমতে, পুলিশ লাঠিচার্জ বা বলপ্রয়োগ ছাড়াই পরিস্থিতি সামলেছে।
বাংলানিউজ২৪-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার দুপুর থেকে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত স্থানীয় লোকজন স্কুলের একটি কক্ষে শিক্ষার্থীকে আটকে রাখেন। পরে ইউএনও ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। একই প্রতিবেদনে ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী বলেন, শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় এলাকাবাসী উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলেন।
চুনারুঘাট থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, ইউএনও গালিব চৌধুরী ও সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) রাফিউর রহমানের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ইউএনও বলেন, একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। আলোচনার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে শান্ত করা হয়েছে; এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক।
শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়দের একটি অংশ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।





