তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ২০.৭ ডিগ্রি, সন্ধ্যা নামলেই বাড়ছে ঠান্ডা
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ছিল ২০.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস; আগের দিন সকালে ছিল ১৫.৫ ডিগ্রি। কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ২০ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করছে। দিনে গরম, সন্ধ্যার পর থেকে ঠান্ডা। আবহাওয়া কর্মকর্তার মতে, হিমালয়-কাঞ্চনজঙ্ঘার নৈকট্য, হিমেল বাতাস ও হালকা কুয়াশায় তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের দাবি, শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে সর্দি-কাশিসহ শীতজনিত রোগ বাড়ছে।#Panchagarh #Tetulia #Winter #MeehaNews

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। দিনে কিছুটা উষ্ণতা থাকলেও সন্ধ্যা নামার পর থেকে ঠান্ডা বাড়ছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সকালে এটি ছিল ১৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি। রাইজিংবিডির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৬ অক্টোবর সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা ছিল ১৬ দশমিক ১ ডিগ্রি।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, হিমালয় ও কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বতের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে হিমেল বাতাস ও হালকা কুয়াশার প্রভাবে তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। শীতের অনুভূতিও ধীরে ধীরে বাড়ছে।
আজ সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হালকা কুয়াশা ভেদ করে সূর্যের আলো ছড়িয়ে পড়ে। ভোর থেকেই কাজে বেরিয়েছেন দিনমজুর, চা ও পাথর শ্রমিক, ভ্যানচালক ও কৃষকেরা।
ভ্যানচালক রবি ইসলাম বলেন, ভোরে ভ্যান চালানোর সময় হিমেল বাতাস লাগে, তবে রোদ উঠলে আবার গরম লাগে। চা শ্রমিক আবদুল খালেক জানান, আগে পাতলা কাপড়ে বের হওয়া গেলেও এখন ভোরে চা বাগানে যেতে গায়ে চাদর বা গরম কাপড় নিতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সন্ধ্যার পর উত্তর দিক থেকে আসা বাতাসে ঠান্ডা বাড়ে। গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত অনেককে কাঁথা বা চাদর জড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।
হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় পঞ্চগড়ে শীত কিছুটা আগে আসে। অক্টোবরের শেষ দিক থেকে শীতের আমেজ স্পষ্ট হয়। নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত শীতের তীব্রতা বাড়তে থাকে।
শীতের আগমনে বাজারেও পরিবর্তন এসেছে। বিভিন্ন স্থানে মৌসুমি পিঠার দোকান বসতে শুরু করেছে। সন্ধ্যার পর ভাপা, চিতই ও পাকান পিঠার ক্রেতা বাড়ছে। পিঠা বিক্রেতা আবু বক্কর সবুজ বলেন, ঠান্ডা বাড়লে পিঠার চাহিদাও বাড়ে। শীত আরও বাড়লে বিক্রি বাড়বে বলে তাঁর আশা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, দিনে গরম আর রাতে ঠান্ডার এই বদলে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ার মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে। অনেকে উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলেও তাঁরা জানান।





