মূল কনটেন্টে যান
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬৯ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার ২৫ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
অনুসন্ধানী ও সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
সর্বশেষ

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের স্কুলছাত্রী রাফিয়ার সন্ধান মেলেনি দেড় মাসেও, মামলার আসামিদের ফোন বন্ধ

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাফিয়া আক্তার রুপা (১৫) ৯ সেপ্টেম্বর সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়, আর বাড়ি ফেরেনি। ১৬ সেপ্টেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়। আসামি তিনজন: রায়হান সিকদার, তাঁর বাবা সেলিম ও মা রাশেদা। পরিবারের দাবি, পটুয়াখালীর বাউফলে রায়হানের বাড়ি থেকে রাফিয়ার স্কুলের পোশাক ও পরিচয়পত্র উদ্ধার হয়েছে, কিন্তু রাফিয়াকে পাওয়া যায়নি। বাউফল থানার ওসি জানান, আসামিদের ফোন বন্ধ থাকায় তাঁদের ধরা যাচ্ছে না।#Keraniganj #MissingGirl #Bauphal #MeehaNews

নিখোঁজ স্কুলছাত্রী রাফিয়া আক্তার রুপা
নিখোঁজ রাফিয়া আক্তার রুপাছবি: সংগৃহীত

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে স্কুলে যাওয়ার পথে নিখোঁজ নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাফিয়া আক্তার রুপার (১৫) সন্ধান দেড় মাসেও মেলেনি। মামলা হয়েছে, পটুয়াখালীর বাউফলে অভিযানও চলেছে। তবু মেয়েটিকে উদ্ধার করা যায়নি।

রাফিয়া পুরান ঢাকার আরমানিটোলার নিউ গভর্নমেন্ট গার্লস হাই স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী। গত ৯ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৬টায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া পূর্বপাড়ার বাসা থেকে স্কুলের উদ্দেশে বের হয় সে। দুপুরে ফেরার কথা থাকলেও ফেরেনি।

সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করে না পেয়ে পরদিন ১০ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন রাফিয়ার বাবা রেজাউল করিম। তিনি চুনকুটিয়া আমিনপাড়া এলাকায় ফুটপাতে কাপড় বিক্রি করেন।

পরিবারের দাবি, জিডির দুদিন পর রাশেদা নামে এক নারী রেজাউলকে ফোন করে জানান, রাফিয়া তাঁদের কাছে আছে। ওই ফোনের সূত্র ধরে পুলিশ জানতে পারে, মেয়েটির অবস্থান বাউফলে।

১৬ সেপ্টেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন রেজাউল। আসামি করা হয় মো. রায়হান সিকদার, তাঁর বাবা মো. সেলিম ও মা রাশেদাকে। মামলার তদন্তের দায়িত্বে আছেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাহিদী হাসান।

পরে পুলিশ বাউফলের গোসিংগা গ্রামে অভিযান চালায়। পরিবারের দাবি, অভিযুক্ত রায়হানের বাড়ি থেকে রাফিয়ার স্কুলের পোশাক ও পরিচয়পত্র পাওয়া যায়। তবে রাফিয়া সেখানে ছিল না। রায়হানকেও না পেয়ে পুলিশ তাঁর বাবা-মাকে একদিনের মধ্যে রাফিয়াকে বাউফল থানায় হাজির করতে বলে। রেজাউলের অভিযোগ, এরপর থেকে ওই পরিবারের কাউকে আর পাওয়া যাচ্ছে না।

বাউফল থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি নিয়ে তাঁরা কাজ করছেন। আসামিদের মোবাইল নম্বর র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখা এসআরবিকে দেওয়া হয়েছে। তবে ফোন বন্ধ থাকায় তাঁদের ধরা যাচ্ছে না।

রেজাউলের অভিযোগ, তিনি গরিব বলে মেয়েকে উদ্ধারে পুলিশের কাছ থেকে যথেষ্ট তৎপরতা পাচ্ছেন না। তাঁর কথা, ‘আমি শুধু আমার সন্তানকে জীবিত ফিরে পেতে চাই।’ রাফিয়ার দ্রুত ও নিরাপদ উদ্ধার, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিচারের জন্য তিনি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।

প্রতিবেদনটি আপনার কাছে কেমন লাগল?

অনলাইন ডেস্ক

মিহা নিউজ

এই প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত ভুল চোখে পড়লে সংশোধনী নীতি অনুযায়ী আমাদের জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য দেখতে বা লিখতে চাপ দিন। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা মেনে প্রকাশ হয়।

মিহা স্পেশাল

আজ

রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাঠের রং

এখন যা বেশি খোঁজা হচ্ছে

যেকোনো পাতায় / চাপলেই খোঁজ খুলবে। ফলাফলে বিভাগ, তারিখ ও ধরন দিয়ে ছাঁকতে পারবেন।