শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান করতে দেখে চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্ত, রাজধানীতে প্রধানমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন
শনিবার (১৭ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক এলাকা আকস্মিক পরিদর্শন করেন। সকাল ৯টা ১০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪১ মিনিট পর্যন্ত চলে পরিদর্শন। বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে নিজ কক্ষে ধূমপান করতে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করে। উত্তরার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালকে পরিবেশ উন্নয়নে সাত দিন এবং আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টারকে দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। #Tarique Rahman #PrimeMinister #Dhaka #Hospital #MeehaNews

রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে নিজ কক্ষে ধূমপান করতে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ওই চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টা ১০ মিনিটে পরিদর্শন শুরু করে দুপুর ১টা ৪১ মিনিট পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় যান। সেখানে প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা ও সেবার মান দেখেন তিনি। আগারগাঁওয়ের শিশু হাসপাতালে ঘুরতে ঘুরতে রফিকুল ইসলামের কক্ষে ঢুকে তাঁকে ধূমপান করতে দেখেন। কক্ষটি অপরিচ্ছন্ন ছিল। প্রধানমন্ত্রী তৎক্ষণাৎ হাসপাতালের পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হককে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপর রফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞপ্তি ও অন্য কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে ঘটনাটি একই রকম, তবে রফিকুল ইসলামের বক্তব্য কোথাও পাওয়া যায়নি।
পরিদর্শনের তালিকায় ছিল উত্তরার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ, ধানমন্ডি সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়, সরকারি বাংলা কলেজ, পাইকপাড়া স্টাফ কোয়ার্টার, কলাবাগান স্টাফ কোয়ার্টার ও আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টার ঘুরে দেখেন। মিরপুর-১০ নম্বরে হকারমুক্ত ফুটপাতেও যান তিনি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন স্থানের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনার ঘাটতি দেখে প্রধানমন্ত্রী অসন্তোষ প্রকাশ করেন। উত্তরার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালের পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থার উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তিনি সাত দিনের সময় দেন। আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টার পরিষ্কার করতে দেওয়া হয় দুই সপ্তাহ। ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে এবং বেশি করে গাছ লাগাতে আহ্বান জানান।





