তুরাগ নদী থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফ সৌরির মরদেহ উদ্ধার
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উত্তরখানের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকায় তুরাগ নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ। নিহত কে এম তাহসিফ সৌরি বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট; ২৭ অক্টোবর রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি বলে জানিয়েছেন উত্তরা বিভাগের এক কর্মকর্তা।#Turag #Uttarkhan #BangladeshAirForce #Dhaka #MeehaNews

রাজধানীর উত্তরখানে তুরাগ নদী থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট (Flight Lieutenant) কে এম তাহসিফ সৌরির মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। মৃত্যুর কারণ এখনো জানা যায়নি।
নৌ-পুলিশের টঙ্গী ফাঁড়ির পরিদর্শক ফিরোজ উদ্দিন জানান, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তুরাগের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য সেটি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করে বলা যাবে বলে জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে উত্তরখান থানার ডিউটি অফিসার শাহীনুর জামান ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করেন। দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে তিনি বলেন, খবর পেয়ে নৌ-পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে এবং পরে বিষয়টি উত্তরখান থানাকে জানায়। উত্তরা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) জানান, মরদেহ এখনো থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি এবং কোনো মামলাও হয়নি। বিস্তারিত তথ্য নৌ-পুলিশ জানাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তাহসিফ ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন। জয় নিউজের তথ্যমতে, তিনি উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের একটি ফ্ল্যাটে পরিবারসহ থাকতেন। আজকের পত্রিকা জানিয়েছে, নিখোঁজের ঘটনায় পরিবার সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিল।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তাহসিফের নাম আলোচনায় আসে। ভিডিওটি কে ধারণ করেছিলেন, তা নিয়ে সূত্রভেদে ভিন্ন তথ্য আছে। আজকের পত্রিকা লিখেছে, তিনি ভিডিওটি ধারণ করেছিলেন বলে ‘আলোচনা রয়েছে’। দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিডিওটি ধারণ করেছিলেন অন্য এক কর্মকর্তা। তাহসিফ সেটি নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে প্রকাশ করেছিলেন। প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, এ ঘটনায় তাঁকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। এ তথ্য অন্য সূত্রে যাচাই করা যায়নি।





