ডেমরায় ছেলের ছুরিকাঘাতে আহত বাবা তিন সপ্তাহ পর মারা গেলেন
ডেমরার লিটন মিয়া (৪৫) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শনিবার দিবাগত রাত ১টার পর মারা গেছেন। ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে ছেলে সোহেলের (২৪) ছুরিকাঘাতে তিনি গুরুতর আহত হয়েছিলেন। নিহতের বড় ছেলের দাবি, সোহেল দীর্ঘদিন মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। ঘটনার পর তাঁকে পাবনার মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিবার অভিযোগ না করায় মামলা হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢামেক মর্গে রয়েছে। #Demra #Dhaka #DMCH #CrimeNews #MeehaNews

রাজধানীর ডেমরায় ছেলের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত লিটন মিয়া (৪৫) প্রায় তিন সপ্তাহ চিকিৎসার পর মারা গেছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) শনিবার দিবাগত রাত ১টার পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। অভিযুক্ত মেজো ছেলে সোহেলকে (২৪) চিকিৎসার জন্য পাবনার মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতের বড় ছেলে রাসেল আমিন জানান, ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে সোহেল গভীর রাত পর্যন্ত মোবাইল ফোন ব্যবহার করছিলেন। বাবা ফোন বন্ধ করে ঘুমাতে বললে সবাই রাতের খাবার শেষে নিজ নিজ ঘরে ঘুমাতে যান। মা সানু বেগম সবার খোঁজখবর নিয়ে নিজের ঘরে যাওয়ার পর সোহেল সেখানে ঢুকে বাবা-মাকে ছুরিকাঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে ঢামেকে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসার পর মা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন, তবে বাবাকে বাঁচানো যায়নি।
রাসেলের দাবি, সোহেল দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। কিছুদিন সুস্থ থাকেন, আবার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। এর আগেও বিভিন্ন সময় তাঁকে মানসিক হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা করাতে হয়েছে।
নিহতের স্বজনদের কোনো অভিযোগ না থাকায় মামলা হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। বাংলা ট্রিবিউনের তথ্যমতে, রাসেল জানিয়েছেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে। ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, লিটন মিয়ার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।
লিটন মিয়া পরিবার নিয়ে ডেমরার কোনাপাড়া আদর্শবাগ এলাকায় থাকতেন। তিনি তিন ছেলের বাবা। ময়নাতদন্তের ফল এখনো জানা যায়নি।





