কুমিল্লায় তাজমিন হত্যা: সিএনজিচালক সুমনের সম্পৃক্ততার কথা জানাল পুলিশ
- কুমিল্লার লালমাইয়ে স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিন হত্যা মামলায় সিএনজিচালক মো. সুমনের সম্পৃক্ততার কথা জানিয়েছে পুলিশ। - ৭ অক্টোবর রাতে অটোরিকশায় ওঠার পর তাজমিনকে গন্তব্যের পরিবর্তে অন্য পথে নেওয়া হয় বলে পুলিশের ভাষ্য। - ৯ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে…

কুমিল্লার লালমাইয়ে স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিন হত্যা মামলায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক মো. সুমনের সম্পৃক্ততার কথা জানিয়েছে পুলিশ। শনিবার (১০ অক্টোবর) কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পঙ্কজ বড়ুয়া এসব তথ্য জানান। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সুমনকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডের বিবরণ জানা গেছে।
পুলিশ জানায়, গত ৭ অক্টোবর রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাজমিন কুমিল্লা নগরের পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের তিশা বাস কাউন্টারের কাছ থেকে রেসকোর্স এলাকার বাসায় ফেরার জন্য একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করেন। গাড়িটি চালাচ্ছিলেন সুমন মিয়া (৩৫)। পুলিশের দাবি, গন্তব্যে না নিয়ে তিনি তাজমিনকে লালমাই উপজেলার জগতপুর এলাকার দিকে নিয়ে যান। সেখানে তাজমিনকে হত্যা করা হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে লালমাই উপজেলার একটি ধানখেতের পাশ থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তাঁর বাবা আব্দুল আলীম মরদেহ শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় তিনি লালমাই থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। তাজমিন কুমিল্লা নগরের রেসকোর্স এলাকার একটি বাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকতেন এবং স্থানীয় ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
তদন্তে সুমনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার পর শুক্রবার (৯ অক্টোবর) চট্টগ্রামে তাঁর ভাইয়ের বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পুলিশের ভাষ্য, সুমনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী কুমিল্লার বাকরাবাদ এলাকায় একটি পুকুরপাড়ের ঝোপ থেকে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে সুমন ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা জানিয়েছেন। তবে ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়ে ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে কালবেলার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ বড়ুয়া জানিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না কিংবা এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা পূর্ণাঙ্গ তদন্তের পর বলা যাবে।




