বরিশালে শিশু চুরি করে ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রির অভিযোগ, স্কুলশিক্ষিকাসহ তিন নারী কারাগারে
বরিশালে দিনমজুর মায়ের দেড় মাস বয়সী শিশুকন্যা ২০ অক্টোবর নিখোঁজ হয়। ১৪ দিনের মাথায় পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেয়। পুলিশের ভাষ্য, প্রতিবেশী নাসিমা বেগম শিশুটিকে চুরি করে ৩৫ হাজার টাকায় স্কুলশিক্ষিকা মৌরি আক্তারের কাছে বিক্রি করেন। মৌরি এটি তাঁর বড় বোন ফাহমিদার কাছে চট্টগ্রামে পাঠান। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) আদালত মানবপাচার আইনের মামলায় তিন আসামিকে কারাগারে পাঠান।#Barishal #ChildTrafficking #CrimeNews #Bangladesh #MeehaNews

বরিশালে দিনমজুর এক নারীর দেড় মাস বয়সী শিশুকন্যাকে চুরি করে ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রির অভিযোগে স্কুলশিক্ষিকাসহ তিন নারীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে গ্রেপ্তার তিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক এ আদেশ দেন। শিশুটির মা বৃষ্টি বেগম বাদী হয়ে মানবপাচার আইনে মামলা করেছেন।
কারাগারে যাওয়া তিনজন হলেন নগরীর রূপাতলী মওলানা ভাসানী সড়কের নাসিমা বেগম ওরফে নাসিমা কবিরাজ, ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের ফকিরবাড়ি এলাকার মৌরি আক্তার ও তাঁর বড় বোন ফাহমিদা। মৌরি বরিশালের সাগরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, ২০ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রূপাতলী মওলানা ভাসানী সড়কের ভাড়া বাসা থেকে সোহেল-বৃষ্টি দম্পতির ৪৫ দিন বয়সী শিশুকন্যা নিখোঁজ হয়। তখন সে ঘুমিয়ে ছিল। প্রতিবেশী নাসিমা কবিরাজ শিশুটির মাকে একটি কাগজ পোড়ানোর জন্য পাশের একটি বাড়ির পেছনে পাঠান এবং শিশুটিকে দেখে রাখার আশ্বাস দেন। ঘরে ফিরে বৃষ্টি বিছানায় শিশুটিকে না পেয়ে খোঁজ শুরু করেন। ২২ অক্টোবর তিনি কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
জানা গেছে, বৃষ্টি বেগম নাসিমার কাছ থেকে ঝাড়ফুঁক, তদবির ও তাবিজ-কবজ নিতেন। মায়ের সন্দেহের ভিত্তিতে রোববার রাতে পুলিশ নাসিমাকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পুলিশের ভাষ্য, একপর্যায়ে তিনি শিশু চুরির কথা স্বীকার করেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার জানান, নাসিমা শিশুটিকে ৩৫ হাজার টাকায় মৌরির কাছে বিক্রি করেন। মৌরি তা সন্তানহারা বড় বোন ফাহমিদার কাছে চট্টগ্রামে পাঠান। পুলিশের তৎপরতায় শিশুটিকে থানায় আনা হলে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। নিখোঁজের ১৪ দিনের মাথায় সন্তানকে ফিরে পান বৃষ্টি বেগম।





