দশমিনায় ইলিশের নিষেধাজ্ঞার ২২ দিনে ৩৬ জেলের কারাদণ্ড, কারাগারে আরও ১৬
২২ দিনের নিষেধাজ্ঞায় দশমিনার তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌড়ঙ্গ নদে ৬৭টি অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত ৩৬ জেলেকে কারাদণ্ড দেন এবং ২ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। ১২টি নিয়মিত মামলায় আরও ১৬ জেলেকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রায় সাড়ে ৯ লাখ মিটার অবৈধ জাল ও ৩৫টি ইঞ্জিনচালিত নৌকা জব্দ হয়; জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।#Patuakhali #Dashmina #Hilsa #MeehaNews

ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ২২ দিনের মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে পটুয়াখালীর দশমিনায় ৬৭টি অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৩৬ জেলেকে কারাদণ্ড দিয়েছেন। এ ছাড়া ১২টি নিয়মিত মামলায় আরও ১৬ জেলেকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা ছিল ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে, এ সময় উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর ও নৌ পুলিশ যৌথভাবে তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌড়ঙ্গ নদ-নদীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার অভিযোগে ৩৬ জেলেকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়, জরিমানা আদায় হয় ২ লাখ ১০ হাজার টাকা।
অভিযানে প্রায় সাড়ে ৯ লাখ মিটার অবৈধ জাল ও ৩৫টি ইঞ্জিনচালিত নৌকা জব্দ করা হয়। জব্দ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদ হাসান মৃধার নেতৃত্বে অভিযানগুলো হয়। তিনি বলেন, ইলিশের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধি নিশ্চিতে প্রশাসন নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। মৎস্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে বলে তাঁর দাবি। তিনি জানান, ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে, জেলেদের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ রক্ষায় ও নদীর জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে এ ধরনের অভিযান চলবে। এ জন্য জেলেসহ সবার সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।





