মূল কনটেন্টে যান
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬১৩ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
অনুসন্ধানী ও সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
সর্বশেষ

দামুড়হুদায় জলাবদ্ধ স্কুলে বাঁশের সাঁকোই ভরসা, দুই বছরে শিক্ষার্থী কমেছে ১৩০ জন

দামুড়হুদার কুতুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতিবছর জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত পানি জমে থাকে। শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য বাঁশের সাঁকো বানিয়েছেন। ২০২৪ সাল পর্যন্ত শিক্ষার্থী ছিল ২৫০ জন, এখন ১২০ জন। অর্থাৎ দুই বছরে কমেছে ১৩০ জন। বিদ্যালয়ে সীমানাপ্রাচীর ও খেলার মাঠ নেই। প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য, ছয়টি পদের বিপরীতে শিক্ষক আছেন পাঁচজন। উপজেলা কর্মকর্তা সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন।#Chuadanga #Damurhuda #PrimarySchool #MeehaNews

জলাবদ্ধ মাঠসহ চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কুতুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
কুতুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দামুড়হুদা, চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কুতুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুই বছরে শিক্ষার্থী কমেছে ১৩০ জন। ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ছিল ২৫০ জন, এখন আছে ১২০ জন। বিদ্যালয়-সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, জলাবদ্ধতা, অবকাঠামোর সংকট ও শিক্ষকস্বল্পতাই এর কারণ।

প্রতিবছর জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বিদ্যালয়ের মাঠে পানি জমে থাকে। দূর থেকে মাঠটিকে পুকুরের মতো মনে হয়। বর্ষায় শিক্ষার্থীদের স্কুলে ঢুকতে ও বের হতে ভোগান্তি পোহাতে হয়। যাতায়াতের জন্য শিক্ষকেরা বাঁশের সাঁকো বানিয়েছেন। ছোট শিশুদের ওই সাঁকো দিয়েই যেতে হয়, ফলে তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আছে।

যুগান্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদ্যালয়ে যাওয়ার কোনো সড়ক নেই, সাঁকোটিও ভাঙাচোরা। সামান্য বৃষ্টিতেই পাশের পুকুরের পানিতে প্রাঙ্গণ ডুবে যায়।

বিদ্যালয়টির সীমানাপ্রাচীর নেই, খেলার মাঠও নেই। এতে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলার সুযোগ পাচ্ছে না, নিয়মিত সমাবেশ করাও কঠিন হচ্ছে।

প্রধান শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন শূন্য। একজন সহকারী শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। ছয়টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন পাঁচজন শিক্ষক।

সূত্র জানায়, ২০০৫ সালে ৩৩ শতক জমির ওপর বিদ্যালয়টি (১১৬ নম্বর) প্রতিষ্ঠিত হয়। অনেক অভিভাবক এখন সন্তানদের দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গা ও শহরের বিভিন্ন কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি করাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

দামুড়হুদা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু হাসান বলেন, নানা সমস্যার কারণে দুই বছরে ১৩০ শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে। সমস্যাগুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা জলাবদ্ধতা নিরসন, সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ, খেলার মাঠ তৈরি ও শিক্ষকসংকট দূর করার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার্থী আরও কমতে পারে।

প্রতিবেদনটি আপনার কাছে কেমন লাগল?

Meeha Desk

মিহা নিউজ

এই প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত ভুল চোখে পড়লে সংশোধনী নীতি অনুযায়ী আমাদের জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য দেখতে বা লিখতে চাপ দিন। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা মেনে প্রকাশ হয়।

মিহা স্পেশাল

আজ

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাঠের রং

এখন যা বেশি খোঁজা হচ্ছে

যেকোনো পাতায় / চাপলেই খোঁজ খুলবে। ফলাফলে বিভাগ, তারিখ ও ধরন দিয়ে ছাঁকতে পারবেন।