ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ১৮৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ায় আসনটি শূন্য হয়। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ পাঁচ দলের পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে; ১১৫টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। #MeehaNews #Thakurgaon #ByElection #Bangladesh #BangladeshElection

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টায় ঠাকুরগাঁও সদর, ভূল্লী ও রুহিয়া উপজেলার ১৮৫টি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আট মাসের মাথায় এই উপনির্বাচন হচ্ছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮ জন।
উপনির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ পাঁচটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন বিএনপির মির্জা ফয়সল আমীন (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের খাদেমুল ইসলাম (হাতপাখা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আব্দুল আলীম নিজামী (বটগাছ) ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব)। মির্জা ফয়সল আমীন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ভাই ও জেলা বিএনপির সভাপতি।
নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ভোটগ্রহণ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ রাখতে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ১৮৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে সেগুলোতে বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে। মাঠে আছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার সদস্য। অনিয়ম ঠেকাতে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম বলেন, ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকালীন যেকোনো বিশৃঙ্খলা ও অপচেষ্টা দমনে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও জানান তিনি।





