মূল কনটেন্টে যান
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬৮ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার ২৪ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
অনুসন্ধানী ও সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
সর্বশেষ

জিম্বাবুয়েকে গুঁড়িয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের চ্যাম্পিয়ন আফগানিস্তান

শারজায় ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে আফগানিস্তান। ৯৩ বল বাকি থাকতেই জয় আসে। টস জিতে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ে ৪৩.৩ ওভারে ১৬৯ রানে অলআউট হয়। সিকান্দার রাজা করেন ৬৮, রশিদ খান নেন ৪১ রানে ৩ উইকেট। রান তাড়ায় ইব্রাহিম জাদরান অপরাজিত থাকেন ৭০ রানে, অধিনায়ক রহমত শাহ করেন ৪৩। সিরিজে তিন ম্যাচের তিনটিই জিতেছে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ বাদ পড়েছে আগেই।#AFGvZIM #Afghanistan #RashidKhan #Cricket #MeehaNews

ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা জয়ের পর আফগানিস্তান দলের উদ্‌যাপন
ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা জিতে আফগানিস্তানের উদ্‌যাপন। শারজা, ২৩ অক্টোবর

ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে বাংলাদেশ আগেই বাদ পড়েছিল। গতকাল শুক্রবার রাতে শারজায় ফাইনালে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হয় আফগানিস্তান। সে ম্যাচেও দুর্দান্ত জয় পেয়েছে আফগানরা। জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে তারা, ৯৩ বল বাকি থাকতে।

টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। কিন্তু শুরু থেকেই মুখ থুবড়ে পড়ে তাদের ব্যাটিং। ফজলহক ফারুকি ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই আগুন ঝরালে পাওয়ারপ্লে শেষের আগেই ৩ উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। পাওয়ারপ্লে শেষে অভিজ্ঞ ব্রেন্ডন টেলরকে আউট করেন বিলাল সামি। ৫৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে আরও চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। মাঝের সারিতে প্রতিরোধ গড়েন শুধু রাজা ও রায়ান বার্ল। দুজনের ৬০ রানের জুটি ভাঙে ২৭তম ওভারে, মোহাম্মদ নবীর বলে বিলালের হাতে ক্যাচ দেন বার্ল। বার্ল করেন ৩১, রাজা ৬৮। এরপর জিম্বাবুয়ের লেজ গুটিয়ে যেতে সময় লাগেনি, নবী ও রশিদ খান মিলে শেষ করে দেন বাকি ব্যাটিং। ৪৩.৩ ওভারে ১৬৯ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। আফগানদের সেরা বোলার রশিদ, ৪১ রানে ৩ উইকেট। বিলাল ২৭ রানে, ফারুকি ৪১ রানে এবং নবী ২৫ রানে নেন ২টি করে উইকেট। ৫ ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন ওমরজাই।

১৭০ রানের লক্ষ্যে ইব্রাহিম জাদরানের সঙ্গে শুরুতেই খোলা হাতে ব্যাট চালান রহমানুল্লাহ গুরবাজ। দশম ওভারে ৩১ বলে ৩৬ রান করে গুরবাজ আউট হন, আফগানদের রান তখন ৬৮। ১১ থেকে ২০ ওভারে জিম্বাবুয়ের বোলিং ছিল অনেক শৃঙ্খলাবদ্ধ। এই ১০ ওভারে রান ওঠে মাত্র ৩০, এর মধ্যে ৬ রান করে আউট হন সেদিকউল্লাহ আতাল। তবে প্রয়োজনীয় রানের হার ওভারপ্রতি আড়াইয়ের কম থাকায় আফগান ব্যাটারদের তাড়া ছিল না। ইব্রাহিমকে সঙ্গ দেন অধিনায়ক রহমত শাহ। ২৭তম ওভারে সিকান্দার রাজাকে দুটি বাউন্ডারি মেরে আবার গতি বাড়ান তাঁরা। ৪৩ রান করা রহমতকে শেষ পর্যন্ত আউট করেন ওয়েসলি মাধেভেরে। তবু ৩৫তম ওভারেই জয় নিশ্চিত করে আফগানিস্তান। ইব্রাহিম জাদরান অপরাজিত থাকেন ৭০ রানে।

সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে ৯৯ রানে হারিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। সেই জয়ে বড় ভূমিকা ছিল ক্রেইগ আরভিনের ৯৩ ও ব্রেন্ডন টেলরের ৮১ রানের ইনিংসের। এরপর পরপর দুই ম্যাচে নিজেদের শক্তি দেখায় আফগানিস্তান। ১৯ অক্টোবর আবুধাবিতে জিম্বাবুয়েকে তারা হারায় ১৫৮ রানে, আর ২১ অক্টোবর শারজায় বাংলাদেশকে ৭ উইকেটে। এই দুই জয়েই ফাইনাল নিশ্চিত হয়। দুই ম্যাচে রশিদ খান নেন মোট আট উইকেট। এবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে আবার জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে আফগানিস্তান, প্রথমে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে, এরপর দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে।

প্রতিবেদনটি আপনার কাছে কেমন লাগল?

Md. Imran Mahmud

ক্রীড়া প্রতিবেদক

এই প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত ভুল চোখে পড়লে সংশোধনী নীতি অনুযায়ী আমাদের জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য দেখতে বা লিখতে চাপ দিন। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা মেনে প্রকাশ হয়।

মিহা স্পেশাল

আজ

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাঠের রং

এখন যা বেশি খোঁজা হচ্ছে

যেকোনো পাতায় / চাপলেই খোঁজ খুলবে। ফলাফলে বিভাগ, তারিখ ও ধরন দিয়ে ছাঁকতে পারবেন।