উবাইদুলকে কোপানোর বর্ণনা দিলেন বোন, ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় উবাইদুল হকের বোন রোকসানা আক্তার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ ষষ্ঠ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন। - রোকসানার ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীর কাকরাইলের নাইটিঙ্গেল মোড়ে হামলায় তাঁর ভাই গুরুতর আহত হন। ১২ আগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। - মানবজমিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারি গেজেটে উবাইদুল হকের নাম শহীদ তালিকায় ৬৪৩ নম্বরে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। #BangladeshNews #CourtNews #JulyUprising #HumanRights #MeehaNews

২০২৪ সালের ৪ আগস্ট রাজধানীর কাকরাইলের নাইটিঙ্গেল মোড়ে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলায় আহত হয়ে মারা যাওয়া উবাইদুল হকের ওপর হামলার বিবরণ দিয়েছেন তাঁর বোন রোকসানা আক্তার। বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন। মামলাটিতে আসামি সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন। রোকসানা এ মামলার ষষ্ঠ সাক্ষী।
রোকসানার জবানবন্দি অনুযায়ী, উবাইদুল পেশায় গাড়িচালক ছিলেন। ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে তিনি নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আন্দোলনে যোগ দেন। বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে কাকরাইলের নাইটিঙ্গেল মোড়ে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা হয় বলে তিনি জানান।
রোকসানার অভিযোগ, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও পুলিশের হামলায় তাঁর ভাইয়ের কপাল, হাত ও পিঠে ধারালো অস্ত্রের আঘাত লাগে। ডান পায়ের গোড়ালিতে কোপ দেওয়ায় পায়ের রগও কেটে যায়। আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে কাকরাইলের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ আগস্ট তাঁর মৃত্যু হয় বলে আমার দেশ-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মানবজমিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোকসানা আক্তার জবানবন্দিতে আরও অভিযোগ করেন, ১৯ জুলাই শেখ হাসিনার বাসভবনে ১৪ দলের নেতাদের বৈঠকে কারফিউ জারি ও আন্দোলনকারীদের দেখামাত্র গুলি করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করা কয়েকজন নেতাকে তিনি আদালতে শনাক্ত করেছেন বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এসব বক্তব্য সাক্ষীর জবানবন্দিতে করা অভিযোগ; এগুলোকে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা যাবে না।
মানবজমিনের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, উবাইদুল হক ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার দত্তগ্রামের বাসিন্দা ছিলেন এবং ১৪–১৫ বছর বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর নাম সরকারি গেজেটে শহীদ তালিকায় ৬৪৩ নম্বরে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।





