৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ
ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে উত্তরার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা বুধবার বেলা ১১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ করেন। অবরোধে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, আশপাশের সড়কে তীব্র যানজট দেখা দেয়। আন্দোলন এদিন তৃতীয় দিনে গড়ায়। শ্রমিকেরা বলেছেন, বৃহস্পতিবারও তাঁরা রাস্তায় নামবেন। #Garments #MinimumWage #Uttara #Dhaka #MeehaNews

ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে রাজধানীর উত্তরায় বিমানবন্দর সড়ক অবরোধ করেছেন পোশাকশ্রমিকেরা। আজ বুধবার বেলা ১১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত অবরোধের কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। মহাসড়ক ও আশপাশের সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়, ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।
পুলিশ ও শ্রমিকদের বরাত দিয়ে প্রথম আলো জানিয়েছে, সকাল থেকে বিমানবন্দর থেকে আজমপুর পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকেরা জড়ো হতে থাকেন। পরে তাঁরা সড়ক অবরোধ করেন। বেতন-ভাতা বাড়ানোর দাবিতে কয়েক দিন ধরে চলা আন্দোলনের অংশ হিসেবে আজ ছিল তৃতীয় দিনের কর্মসূচি।
বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার প্রথম আলোকে বলেন, সকালে বিমানবন্দর থেকে জসীমউদ্দীন পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন স্থানে কয়েক শ শ্রমিক রাস্তা বন্ধ করে দেন। উত্তরার একাধিক কারখানার শ্রমিক এতে অংশ নেন। বেলা দেড়টার দিকে তাঁরা সড়ক ছেড়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

আন্দোলনরত শ্রমিকেরা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের কর্মসূচি চলবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবারও তাঁরা রাস্তায় নামবেন।
এর আগে গত সোমবার একই দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছিলেন শ্রমিকেরা। যুগান্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেদিন বেলা ১১টার দিকে দক্ষিণখানের বিভিন্ন কারখানার শত শত শ্রমিক আজমপুরে সড়কে নামেন। শ্রমিকদের দাবি, জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে। উত্তরা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার কে এইচ এম এরশাদ যুগান্তরকে অবরোধের কথা নিশ্চিত করে জানান, শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরানো হয়। যুগান্তরের তথ্যমতে, প্রায় এক ঘণ্টা পর শ্রমিকেরা কাজে ফিরে যান।
অবরোধ উঠে গেলেও দাবি নিয়ে শ্রমিকদের অবস্থান অপরিবর্তিত আছে। বৃহস্পতিবারের কর্মসূচিতে বিমানবন্দর সড়কে আবার যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে কারখানা মালিকপক্ষ বা সরকারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।





