মৌলভীবাজারে চা বিক্রেতা দুরুদ মিয়া হত্যায় ১৮ বছর পর একজনের মৃত্যুদণ্ড, খালাস ৭
মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত চা বিক্রেতা দুরুদ মিয়াকে হত্যার দায়ে ছাদিক মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। ২০০৮ সালের ১২ জুন ১ হাজার ২৬৩ টাকা পাওনা চাওয়াকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। একই মামলার অন্য সাত আসামি সন্দেহাতীতভাবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পেয়েছেন। মামলা দায়ের ও রায়ের মধ্যে প্রায় ১৮ বছর কেটেছে। #Moulvibazar #MurderCase #DeathSentence #BangladeshCourt #MeehaNews

মৌলভীবাজারে চা বিক্রেতা দুরুদ মিয়াকে হত্যার দায়ে ছাদিক মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলার অন্য সাত আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। ঘটনার প্রায় ১৮ বছর পর এ রায় এল।
সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শামসাদ বেগম রায় ঘোষণা করেন। আদালত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে মত দিয়ে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় ছাদিক মিয়াকে সাজা দেন। আজকের পত্রিকার প্রতিবেদনে তাঁর বয়স ৬৫ বছর বলা হয়েছে। রায়ে তাঁকে মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
খালাস পেয়েছেন তছকির মিয়া, সিরাজ মিয়া, নুরুল ইসলাম, ছাইফুর রহমান, আতাউর রহমান, শফিক মিয়া ও আছাব মিয়া। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি বলে আদালত উল্লেখ করেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৮ সালের ১২ জুন সকালে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নাজিরাবাদ ইউনিয়নের নারাইনপাশা এলাকায় চায়ের দোকানদার দুরুদ মিয়া ছাদিক মিয়ার কাছে পাওনা ১ হাজার ২৬৩ টাকা চান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ছাদিক মিয়া চলে যান। কিছুক্ষণ পর দলবল নিয়ে ফিরে এসে ধারালো অস্ত্র দিয়ে দুরুদ মিয়াকে আঘাত করেন। স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত দুরুদ মিয়াকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওই দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিহতের ছেলে মকবুল মিয়া আটজনকে আসামি করে মৌলভীবাজার মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। ঢাকা টুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মামলার নম্বর ১৬, তারিখ ১২ জুন ২০০৮।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নিয়ামুল হক বলেন, দীর্ঘ শুনানি শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত প্রধান আসামিকে সর্বোচ্চ সাজা দিয়েছেন। পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ড. আব্দুল মতিন চৌধুরী রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, প্রকৃত আসামির দণ্ড নিশ্চিত হওয়ায় আইনের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়ল।





