৩-০ ব্যবধানে সিরিজ হেরেও অস্ট্রেলিয়া সফরে ইতিবাচক দিক দেখছেন জ্যোতি
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ নারী দল। তৃতীয় ওয়ানডেতে শারমিন আক্তার ও স্বর্ণা আক্তার অর্ধশতক করেন। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সোবহানা মোস্তারি সেঞ্চুরি করেন। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ও দুই অভিষিক্ত তরুণের লড়াইকে সফরের প্রাপ্তি বলেছেন। তৃতীয় ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেটে জেতে। #BangladeshCricket #WomensCricket #NigarSultanaJoty #AUSvBAN #MeehaNews

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের একটিতেও জিততে পারেনি বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ হারের হতাশা থাকলেও সফর থেকে ইতিবাচক দিক খুঁজে নিচ্ছেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি।
জ্যোতির মতে, কয়েকজন ক্রিকেটারের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ও তরুণদের লড়াই ভবিষ্যতের জন্য আশার জায়গা তৈরি করেছে। তিনি বলেন, প্রতিটি ম্যাচেই দলের কোনো না কোনো খেলোয়াড় এগিয়ে এসেছে। ভবিষ্যতে এসব ইতিবাচক দিক কাজে লাগানোর কথাও জানান তিনি। তাঁর ভাষ্য, ‘এই সিরিজ থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে।’
সিরিজে ব্যাটিংয়ে আলো ছড়িয়েছেন কয়েকজন। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করেছেন সোবহানা মোস্তারি, যা নারী ওয়ানডেতে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ডও। শেষ ম্যাচে অর্ধশতক পেয়েছেন শারমিন আক্তার ও স্বর্ণা আক্তার।
বুধবার ব্রিসবেনের অ্যালান বোর্ডার ফিল্ডে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়া ৮ উইকেটে জেতে। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ১৮ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মুর্শিদা খাতুন (১), শারমিন সুলতানা (৬) ও জ্যোতি (৩) দ্রুত ফেরেন। অস্ট্রেলিয়ার পেসার মেগান শুট ৪৪ রানে ৪ উইকেট নেন। সেখান থেকে পঞ্চম উইকেটে ৫৪ রানের জুটি গড়েন শারমিন ও স্বর্ণা। শারমিন ৯৩ বলে ৫০ রান করে আউট হন। স্বর্ণা ৭১ বলে ৫৪ রান করেন, যা তাঁর ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক। বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ১৭২ রানে অলআউট হয়। অস্ট্রেলিয়া ১৬৪ বল হাতে রেখেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে। সাটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এলিস পেরি ৬৫ রানে অপরাজিত ছিলেন।
তরুণদের নিয়েও সন্তুষ্ট জ্যোতি। এই সফরে বাংলাদেশের দুজন ক্রিকেটারের অভিষেক হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তাঁদের জন্য চ্যালেঞ্জটা কঠিন ছিল বলে মনে করেন তিনি। তবে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টায় কমতি দেখেননি অধিনায়ক।
এখন বাংলাদেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ঘাটতি কাটিয়ে ওঠা।





