মূল কনটেন্টে যান
রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬২৩ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার ৮ নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
অনুসন্ধানী ও সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
সর্বশেষ

ফুটবলের ফাইনাল বন্ধ, অভিযোগ বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশার নওধার সেভেন সাইড ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা বন্ধ রয়েছে; প্রতিবাদে রোববার বেলা ১১টার দিকে মানববন্ধন হয়েছে। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দাওয়াত না দেওয়ায় খেলা বন্ধের অভিযোগ উঠেছে। বিএনপির ইউনিয়ন সভাপতি ও থানার এএসআই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। কারও কারও প্রচারণা ছিল, টুর্নামেন্টটি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতারা চালাচ্ছেন। আয়োজকেরা এটিকে অপপ্রচার বলেছেন।#Sunamganj #Dharmapasha #Football #MeehaNews

নওধার সেভেন সাইড ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল বন্ধের প্রতিবাদে সড়কে মানববন্ধন
ধর্মপাশার নওধারে ফুটবলের ফাইনাল বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় সেভেন সাইড ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা বন্ধ হয়ে গেছে। ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দাওয়াত না দেওয়ায় খেলা বন্ধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিএনপির নেতারা এবং থানার এক কর্মকর্তা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

খেলা বন্ধের প্রতিবাদে রোববার বেলা ১১টার দিকে পাইকুরাটি ইউনিয়নের নওধার গ্রামের পূর্ব পাশের সড়কে মানববন্ধন হয়। পাইকুরাটির ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন, এলাকাবাসী এবং ক্রীড়াপ্রেমী জনতার ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শতাধিক মানুষ অংশ নেন। বক্তব্য দেন গ্রাম্য মাতব্বর সহিব উদ্দিন ও ফখর উদ্দিন, বিএনপি কর্মী নূরুল আমিন, ছাত্রদল কর্মী মোহাম্মদ আলী এবং কলেজছাত্র বায়েজীদ মিয়া।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে কয়েকজন স্থানীয় তরুণ ১৬ অক্টোবর নওধার দক্ষিণপাড়া গ্রামের মাঠে টুর্নামেন্ট শুরু করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাইকুরাটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি অনিক তালুকদারসহ ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন। পরে স্থানীয় কয়েকজন প্রচার করেন, টুর্নামেন্টটি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতারা চালাচ্ছেন এবং ফাইনাল ঘিরে সংঘর্ষ হতে পারে।

আয়োজক চার তরুণ জানান, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাঁদের থানায় যেতে বলা হয়। সেখানে ধর্মপাশা থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নূরুল আমিন তাঁদের বলেন, ওসির কাছে তাঁদের নামে লিখিত অভিযোগ আছে। তাঁদের ভাষ্য, এএসআই আরও বলেন, টুর্নামেন্টটি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণে থাকায় খেলা হবে না; তবে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পুলিশকে অনুমতি দিতে বললে খেলা হতে পারে।

আয়োজকদের একজন ও ছাত্রদল কর্মী মোহাম্মদ আলী বলেন, টুর্নামেন্টের আয়োজনে নিষিদ্ধ সংগঠনের কেউ জড়িত নন। তাঁর দাবি, “এটি অপপ্রচার ছাড়া আর কিছুই নয়।” তিনি অভিযোগ করেন, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দাওয়াত না দেওয়ায় তাঁরা ফাইনাল বন্ধ করে দিয়েছেন।

পাইকুরাটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ উল্ল্যাহ এ অভিযোগ সঠিক নয় বলে জানান। তাঁর বক্তব্য, টুর্নামেন্টটি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নিয়ন্ত্রণ করছে বলে তাঁরা শুনেছেন। সংঘর্ষের আশঙ্কায় খেলা বন্ধ রয়েছে।

এএসআই নূরুল আমিনও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, এলাকার কয়েকজন তাঁকে জানিয়েছেন যে টুর্নামেন্টটি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নিয়ন্ত্রণে আছে এবং সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে। ফাইনাল বন্ধ রাখতে তিনি কাউকে মানা করেননি। কেউ এমন বললে তা মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি।

খেলার মাঠ পাইকুরাটি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে। ওই ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনবুল বলেন, খেলার পেছনে রাজনীতি আছে কি না, তিনি জানেন না। তবে ফাইনাল খেলাটি যেন হয়, এটাই তাঁর দাবি।

প্রতিবেদনটি আপনার কাছে কেমন লাগল?

অনলাইন ডেস্ক

মিহা নিউজ

এই প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত ভুল চোখে পড়লে সংশোধনী নীতি অনুযায়ী আমাদের জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য দেখতে বা লিখতে চাপ দিন। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা মেনে প্রকাশ হয়।

মিহা স্পেশাল

আজ

রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাঠের রং

এখন যা বেশি খোঁজা হচ্ছে

যেকোনো পাতায় / চাপলেই খোঁজ খুলবে। ফলাফলে বিভাগ, তারিখ ও ধরন দিয়ে ছাঁকতে পারবেন।