ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু, অক্টোবরের ১০ দিনেই প্রাণ গেছে ৫৪ জনের
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছর মোট মৃত্যু ২৯৯ জন। সেপ্টেম্বরে মারা গেছেন ১৪৮ জন, অক্টোবরের প্রথম ১০ দিনে ৫৪ জন। এক দিনে সর্বোচ্চ ১০ জনের মৃত্যু হয় ৬ অক্টোবর। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৬৩১ জন। বছরে ভর্তি…

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর মশাবাহিত এই রোগে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২৯৯ জনে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৬৩১ জন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হালনাগাদ তথ্যে এসব জানা গেছে। এতে শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের হিসাব ধরা হয়েছে।
নতুন মৃত চারজনের মধ্যে দুজন পুরুষ ও দুজন নারী। আজকের পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁরা বরিশাল, চট্টগ্রাম, খুলনা ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চলতি বছরের মৃতদের মধ্যে ৫১ দশমিক ৯ শতাংশ নারী, ৪৮ দশমিক ১ শতাংশ পুরুষ।
মাসভিত্তিক হিসাবে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে মারা যান। মার্চ ও এপ্রিলে কেউ মারা যাননি। মে মাসে একজন, জুনে ১৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন ও আগস্টে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়। সেপ্টেম্বরে সংখ্যাটি এক লাফে ১৪৮-এ ওঠে। অক্টোবরের ১০ দিনে মারা গেছেন ৫৪ জন, যুগান্তরের তথ্যমতে এর মধ্যে ৬ অক্টোবর এক দিনেই মৃত্যু হয় ১০ জনের।
ভর্তির চিত্রও একই দিকে যাচ্ছে। জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৭ হাজার ৮২ জন। যুগান্তরের হিসাবে আগস্টে ভর্তি ছিলেন ২০ হাজার ৫৩৬ জন, সেপ্টেম্বরে ৪৩ হাজার ৭৭৪ জন। অক্টোবরের প্রথম ১০ দিনেই ভর্তি ১৭ হাজার ৪৬২ জন। মিহা নিউজের হিসাবে সেপ্টেম্বরে দৈনিক গড়ে ভর্তি ছিলেন প্রায় ১ হাজার ৪৫৯ জন, অক্টোবরে তা প্রায় ১ হাজার ৭৪৬।
গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ১ হাজার ৬৩১ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৭০৩ জন। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪০৬, উত্তর সিটিতে ৯২ ও দুই সিটির বাইরে ২০৫ জন। বাকিদের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে ২৩৪, বরিশালে ২১৯, খুলনায় ১৮৪, রাজশাহীতে ১৪১, রংপুরে ৭৫, ময়মনসিংহে ৬১ ও সিলেটে ১৪ জন।
চলতি বছরের মোট মৃত্যুর হিসাবেও ঢাকা বিভাগ এগিয়ে। যুগান্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই বিভাগে মারা গেছেন ১৩৩ জন। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৮০, উত্তরে ৩৬ ও দুই সিটির বাইরে ১৭ জন। খুলনা বিভাগে মৃত্যু ৬১, চট্টগ্রাম ও বরিশালে ২৬ জন করে, ময়মনসিংহে ২৩, রাজশাহীতে ২১, রংপুরে ছয় ও সিলেটে তিন জন।
আজকের পত্রিকা জানিয়েছে, বছরের শুরু থেকে ভর্তি রোগীদের মধ্যে ৯১ হাজার ৭ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৫ হাজার ৭৭৪ জন।




