নিয়োগপত্রের দাবিতে অনশনে ৮৩ প্রার্থী, সরকারের কাছে জবাব চাইলেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম
সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েও ৮৩ জন নিয়োগপত্র পাননি। তাঁদের পক্ষে সরকারের কাছে জবাব চেয়েছেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম। মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে রোববার সকাল ১০টা থেকে অনশন চলছে। অনশনকারীর সংখ্যা সূত্রভেদে ২০ থেকে ২৫। ১৩ হাজার ৮৩১ জন কাগজপত্র জমা দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১৩ হাজার ৭৪৮ জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যাচাইয়ের পর পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র পাঠানো হবে। #PrimaryTeacher #DUCSU #SadikKayem #TeacherRecruitment #MeehaNews

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া ৮৩ প্রার্থীর পক্ষে সরকারের কাছে জবাব চেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম। তিনি চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ সবাইকে অবিলম্বে নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন।
সোমবার দেওয়া এক বিবৃতিতে সাদিক কায়েম বলেন, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও কেন এই ৮৩ জন নিয়োগপত্র পাচ্ছেন না, তা স্পষ্ট নয়। নিয়োগ আটকে থাকার কারণ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের পরিষ্কার ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, ১৫ জন প্রার্থী অনশন করছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এই সরকারের কাছে জবাবদিহি চাই, কেন এতজন চাকরিপ্রার্থী নিয়োগবঞ্চিত হলেন?’
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ‘মেধা না কোটা’ স্লোগানের অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসা সরকারের উচিত মেধাভিত্তিক নিয়োগের দাবিকে গুরুত্ব দেওয়া। যোগ্যতা প্রমাণের পরও প্রার্থীদের অনিশ্চয়তায় থাকা গ্রহণযোগ্য নয় বলে মনে করেন তিনি।
নিয়োগপত্রের দাবিতে রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অনশন করছেন নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীরা। তাঁরা কাফনের কাপড় পরে কর্মসূচিতে বসেছেন। রোববার রাতেও তাঁরা সেখানে অবস্থান করেন। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে অনশনকারীর সংখ্যা প্রায় ২০ জন, আমার দেশ ও শিক্ষাবার্তার প্রতিবেদনে প্রায় ২৫ জন বলা হয়েছে। আন্দোলনকারী জাহিদ হাসান বলেন, চূড়ান্ত সুপারিশের পরও নামে নিয়োগপত্র ইস্যু না হওয়ায় তাঁরা চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।
শিক্ষাবার্তার তথ্যমতে, কাগজপত্র জমা দেওয়া ১৩ হাজার ৮৩১ জনের মধ্যে ১৩ হাজার ৭৪৮ জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন। যাচাই শেষে বাকি ৮৩ জন এখনো পাননি। দেশ টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলে মোট ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে সুপারিশ করা হয়েছিল। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বিভিন্ন কারণে’ ৮৩ জন নিয়োগবঞ্চিত হয়েছেন। কারণগুলো কী, তা বিস্তারিত জানানো হয়নি।
আমার দেশের আরেক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় শনিবার জানিয়েছে, কেউ নিয়োগপত্র না পেয়ে থাকলে যথাযথ যাচাইয়ের পর দ্রুততম সময়ে পর্যায়ক্রমে তা পাঠানো হবে। বঞ্চিত প্রার্থীদের একজন ৩১ জনকে নিয়ে হাইকোর্টে রিট করার প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছেন। ৮৩ জনের নিয়োগ না পাওয়ার কারণ নিয়ে কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।





