মূল কনটেন্টে যান
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
অনুসন্ধানী ও সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
সর্বশেষ

তাইওয়ানে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহে উত্তর কোরিয়ার তীব্র নিন্দা, পুতিনকে সমর্থনে কিমের বার্তাও

তাইওয়ানে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহ ও সামরিক সহায়তার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ; তাইওয়ান প্রণালীতে উত্তেজনা উসকে দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে। গত সপ্তাহে তাইওয়ানে ৬৬টি এফ-১৬ভি ব্লক-৭০ যুদ্ধবিমানের চালানের প্রথম দুটি পৌঁছেছে, ২০১৯ সালে এগুলো কেনার চুক্তি হয়েছিল। গত জুনে পিয়ংইয়ং শীর্ষ বৈঠকে কিম জং উন শি জিনপিংকে 'এক চীন' নীতিতে পূর্ণ সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। পুতিনের জন্মদিনে পাঠানো বার্তায় কিম রাশিয়ার যুদ্ধকে 'ন্যায্য ও পবিত্র' বলে অভিহিত করে বিজয়ের আস্থা ব্যক্ত করেছেন; ইউক্রেন ও দক্ষিণ কোরিয়ার হিসাবে উত্তর কোরিয়া এখন পর্যন্ত ১৪-১৫ হাজার সেনা পাঠিয়েছে রাশিয়াকে। #Taiwan #NorthKorea #KimJongUn #USChinaRelations #MeehaNews

তাইওয়ানে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহে উত্তর কোরিয়ার তীব্র নিন্দা, পুতিনকে সমর্থনে কিমের বার্তাও
উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পছবি: সংগৃহীত

তাইওয়ানের কাছে অস্ত্র বিক্রি ও সামরিক সহায়তা করায় যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র সমালোচনা করেছে উত্তর কোরিয়া। একই সঙ্গে ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে তাইওয়ান প্রণালীতে উত্তেজনা উসকে দেওয়ার অভিযোগও তুলেছে পিয়ংইয়ং। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ (KCNA) বুধবার (৭ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্সের।

উত্তর কোরিয়ার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক কিম মিয়ং চোলকে উদ্ধৃত করে কেসিএনএ বলেছে, তাইওয়ান বিষয়ক মার্কিন নীতি এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ক্ষুণ্ণ করছে। তাইওয়ানে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে কেনা যুদ্ধবিমানের উপস্থিতিরও নিন্দা জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, চীনের মতো শক্তিশালী রাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়াতে যুক্তরাষ্ট্র আদৌ প্রস্তুত কি না এবং সেই পরিণতি সামলানোর সক্ষমতা তাদের আছে কি না — সে বিষয়ে দুবার ভাবা উচিত।

বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান সামরিক চাপে থাকা তাইওয়ানে গত সপ্তাহে ৬৬টি এফ-১৬ভি ব্লক-৭০ (F-16V Block 70) যুদ্ধবিমানের চালানের প্রথম দুটি পৌঁছেছে। ২০১৯ সালে এই বিমানগুলো কেনার চুক্তি হয়েছিল।

গত জুনে পিয়ংইয়ংয়ে অনুষ্ঠিত শীর্ষ বৈঠকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ‘এক চীন’ নীতিতে পূর্ণ সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। বেইজিং এই নীতির অর্থ করে — তাইওয়ান প্রণালীর উভয় পক্ষই একটি দেশের অংশ। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ওই বৈঠকে শি জিনপিং বলেছিলেন, কূটনীতি, আইন প্রয়োগ, সামরিক বিষয়সহ নানা ক্ষেত্রে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানো হবে।

চীন বরাবরই তাইওয়ানের নেতাদের সঙ্গে বিদেশি নেতাদের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের বিরোধিতা করে। তাইওয়ান সরকার অবশ্য বলে আসছে, এই দ্বীপের ওপর দাবি করার বা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এর প্রতিনিধিত্ব করার কোনো অধিকার বেইজিংয়ের নেই। উত্তর কোরিয়ার মিত্র চীনও বারবার ওয়াশিংটনের কাছে তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রি বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছে। আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকলেও তাইওয়ানকে আত্মরক্ষার সক্ষমতা দিতে যুক্তরাষ্ট্র আইনগতভাবে বাধ্য।

একই দিন কেসিএনএর আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জন্মদিনে পাঠানো বার্তায় কিম রাশিয়া ও তাদের যুদ্ধ প্রচেষ্টার প্রতি অব্যাহত সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দুই দেশের ‘ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারত্বের’ আওতায় যৌথ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষায় রাশিয়ার ‘ন্যায্য ও পবিত্র যুদ্ধ’ শেষ পর্যন্ত বিজয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হবে বলে দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করেন তিনি। তবে বার্তায় ইউক্রেনের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল না।

ইউক্রেন ও দক্ষিণ কোরিয়ার হিসাব অনুযায়ী, রাশিয়াকে সহায়তায় উত্তর কোরিয়া এ পর্যন্ত আনুমানিক ১৪ থেকে ১৫ হাজার সেনা পাঠিয়েছে।

প্রতিবেদনটি আপনার কাছে কেমন লাগল?

Meeha Desk

মিহা নিউজ

এই প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত ভুল চোখে পড়লে সংশোধনী নীতি অনুযায়ী আমাদের জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য দেখতে বা লিখতে চাপ দিন। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা মেনে প্রকাশ হয়।

সারাংশ

তাইওয়ানে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহে উত্তর কোরিয়ার তীব্র নিন্দা, পুতিনকে সমর্থনে কিমের বার্তাও

তাইওয়ানে মার্কিন অস্ত্র সরবরাহ ও সামরিক সহায়তার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ; তাইওয়ান প্রণালীতে উত্তেজনা উসকে দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে।
গত সপ্তাহে তাইওয়ানে ৬৬টি এফ-১৬ভি ব্লক-৭০ যুদ্ধবিমানের চালানের প্রথম দুটি পৌঁছেছে, ২০১৯ সালে এগুলো কেনার চুক্তি হয়েছিল।
গত জুনে পিয়ংইয়ং শীর্ষ বৈঠকে কিম জং উন শি জিনপিংকে 'এক চীন' নীতিতে পূর্ণ সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
পুতিনের জন্মদিনে পাঠানো বার্তায় কিম রাশিয়ার যুদ্ধকে 'ন্যায্য ও পবিত্র' বলে অভিহিত করে বিজয়ের আস্থা ব্যক্ত করেছেন; ইউক্রেন ও দক্ষিণ কোরিয়ার হিসাবে উত্তর কোরিয়া এখন পর্যন্ত ১৪-১৫ হাজার সেনা পাঠিয়েছে রাশিয়াকে।

#Taiwan #NorthKorea #KimJongUn #USChinaRelations #MeehaNews

আজ

মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাঠের রং

এখন যা বেশি খোঁজা হচ্ছে

যেকোনো পাতায় / চাপলেই খোঁজ খুলবে। ফলাফলে বিভাগ, তারিখ ও ধরন দিয়ে ছাঁকতে পারবেন।