ইউনিয়ন বিভক্তি নিয়ে পাল্টাপাল্টি মানববন্ধন, রাজাপুরের গালুয়া বাজারে ১৪৪ ধারা
গালুয়া ইউনিয়ন বিভক্তির প্রস্তাবের পক্ষে-বিপক্ষে পাল্টাপাল্টি মানববন্ধনের ডাক ঘিরে ২৩ অক্টোবর দুপুর ২টা থেকে ২৪ অক্টোবর দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে। ধারা জারির আদেশে স্বাক্ষর করেছেন রাজাপুরের ইউএনও রিফাত আরা মৌরী। গালুয়া বাজার ও সংলগ্ন এলাকায় সমাবেশ, মিছিল ও মাইক ব্যবহার নিষিদ্ধ। স্থানীয় সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামালের একটি ডিও লেটারে ইউনিয়ন বিভক্তির প্রস্তাবের কথা উল্লেখ থাকার খবর সামনে আসার পর পক্ষে-বিপক্ষে প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশাসন বলেছে, মানববন্ধনে বাধা নেই।#Jhalokati #Rajapur #Section144 #MeehaNews

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় গালুয়া ইউনিয়ন বিভক্তির প্রস্তাবের পক্ষে-বিপক্ষে পাল্টাপাল্টি মানববন্ধনের ডাক ঘিরে গালুয়া বাজার ও সংলগ্ন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর ২টা থেকে শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ আদেশ কার্যকর থাকবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত আরা মৌরীর স্বাক্ষরিত আদেশে ওই এলাকায় সমাবেশের উদ্দেশ্যে প্রবেশ, মাইকসহ শব্দবর্ধক যন্ত্রের ব্যবহার এবং পাঁচ বা তার বেশি মানুষের একত্র চলাচল, সমাবেশ, মিছিল ও সভা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইটিভি বিডির খবরে বলা হয়েছে, লাঠিসহ যেকোনো অস্ত্র বহনও নিষিদ্ধ। আদেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে।
জানা গেছে, ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামালের একটি ডিও লেটারে রাজাপুর পৌরসভা গঠন এবং গালুয়া ইউনিয়নকে ভেঙে দুটি ইউনিয়ন করার প্রস্তাবের কথা উল্লেখ আছে। বিষয়টি প্রকাশ পেলে স্থানীয়দের মধ্যে পক্ষে-বিপক্ষে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।
ইউনিয়নের অখণ্ডতা রক্ষার দাবিতে এক পক্ষ শুক্রবার বিকেল ৪টায় গালুয়া বাজারে মানববন্ধন ডেকেছে। তাদের প্রচারপত্রে বিভক্তির উদ্যোগ বাতিল, প্রশাসনিক সেবার মানোন্নয়ন, প্রয়োজনে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন এবং গালুয়াকে মডেল ইউনিয়ন গড়ার দাবি রয়েছে।
অন্য পক্ষ “বৃহত্তর পুটিয়াখালীর সর্বস্তরের জনগণের” ব্যানারে বেলা ৩টায় গালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে পৃথক মানববন্ধন ডেকেছে। তাদের দাবি, বৃহত্তর পুটিয়াখালীকে ৭ নম্বর ইউনিয়ন ঘোষণা করা হোক।
রাজাপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামীম রেজা সজীব বলেন, মানববন্ধনে প্রশাসনের কোনো বাধা নেই। তবে একই স্থানে দুই পক্ষ কর্মসূচি দেওয়ায় আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। ইউএনও রিফাত আরা মৌরী বলেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতেই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
রাজাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ফিরোজ কামাল জানান, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।





