বিএনপিকে নয়, এখন ১৮ কোটি মানুষকে সহযোগিতা করবে জামায়াত: শফিকুর রহমান
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এবি পার্টির আলোচনা সভায় শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াত এখন বিএনপিকে নয়, ১৮ কোটি মানুষকে সহযোগিতা করবে। তাঁর দাবি, বিরোধী দলের সহযোগিতা নিতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে; বিদ্যুৎ সংকটে প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞ দল দেওয়ার প্রস্তাব সরকার নেয়নি। তিনি পিএসসি সদস্যদের ওপর মন্ত্রীর চাপ এবং ভোটের হিসাবে উন্নয়ন কাজ আটকে রাখার অভিযোগ করেছেন। আলোচনায় এনসিপি ও ১১ দলীয় জোটের নেতারাও বক্তব্য দেন। #Jamaat #ShafiqurRahman #JulyCharter #BangladeshPolitics #MeehaNews

জামায়াতে ইসলামী এখন বিএনপিকে নয়, দেশের ১৮ কোটি মানুষকে সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। রোববার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ‘জুলাই সনদের এক বছর: অঙ্গীকার ও প্রত্যাশা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এবি পার্টির আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দলটির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। এনসিপি ও ১১ দলীয় জোটের নেতারাও আলোচনায় অংশ নেন।
শফিকুর রহমানের ভাষ্য, বিরোধী দলের সহযোগিতা গ্রহণে বিএনপি ব্যর্থ হয়েছে। তাঁর দাবি, জামায়াত সরকারকে হটাতে নয়, তার সফলতা চেয়েছিল। বিদ্যুৎ সংকটের সময় প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞ দল দিয়ে সহায়তার প্রস্তাব দেওয়া হলেও সরকার তা নেয়নি বলেও তিনি জানান।
তিনি বলেন, ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পর বিএনপি বদলে গেছে। তাঁর অভিযোগ, দলটি পৃথক শপথের ব্যবস্থার বিরোধিতা করেছে, একটি শপথ নিয়েছে এবং পরে অঙ্গীকার থেকে সরে এসেছে। এ প্রসঙ্গে একই দিনের গণভোট ও নির্বাচন এবং আলাদা শপথ নিয়ে বিতর্কের কথাও তিনি তোলেন।
বক্তব্যে শফিকুর রহমান আরও অভিযোগ করেন, এক মন্ত্রী সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সদস্যদের পদত্যাগে চাপ দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, ভোটের ধরন বিবেচনা করে সরকারদলীয় কর্মকর্তারা উন্নয়ন কাজে বাধা দিচ্ছেন। তিনি ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ এবং বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের জন্য কোনো বরাদ্দ না থাকার সমালোচনাও করেন। এ বরাদ্দের পরিমাণ বা সূত্র প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
জামায়াত ৮৯টি সংসদীয় আসন পেয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সংসদ সদস্যরা ১৮ কোটি মানুষের অভিভাবক হিসেবে কাজ করবেন। বিরোধী দল জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে চাপ অব্যাহত রাখবে বলে জানান তিনি। তরুণরা পূর্ণ মুক্তি না আসা পর্যন্ত বসে থাকবে না বলেও মন্তব্য করেন।
আমার দেশের একই পাতায় জানানো হয়েছে, ১১ দলীয় জোট ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চের পরিকল্পনা করেছে।
শফিকুর রহমানের অভিযোগ ও দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই হয়নি। এসব নিয়ে সরকার বা বিএনপির কোনো প্রতিক্রিয়া মূল সূত্রে নেই।





