মূল কনটেন্টে যান
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬৩০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি
অনুসন্ধানী ও সর্বশেষ বাংলা সংবাদ
সর্বশেষ

সরকারি চাকরিতে ৫ লাখ ২২ হাজার পদ শূন্য, সংসদীয় কমিটিকে জানাল মন্ত্রণালয়

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সংসদীয় কমিটিকে জানিয়েছে, ১৯ লাখ ৮৬ হাজার ২৭২ অনুমোদিত পদের মধ্যে ১৪ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫০ জন কর্মরত এবং ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২টি পদ শূন্য। সরকারের প্রথম ১৮০ দিনে ২ হাজার ৮৭৯টি শূন্য পদ পূরণের লক্ষ্য ছিল। নিয়োগ হয়েছে ২ হাজার ৬১টিতে। বৈঠকে বিরোধী দলের একজন সদস্য অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে বিসিএসে উত্তীর্ণ একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ যাচাই হয়নি। কমিটি সরকারের কাজে অসহযোগিতাকারীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থার সুপারিশ করেছে। কয়েকজন সদস্য বলেছেন, শুধু দলীয় পরিচয়ে কাউকে শাস্তি দেওয়া ঠিক হবে না। #PublicAdministration #GovernmentJobs #Bangladesh #Parliament #MeehaNews

সরকারি দপ্তরে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতীকী ছবি
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২টি পদ শূন্য রয়েছে বলে সংসদীয় কমিটিকে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। মোট অনুমোদিত পদের প্রায় ২৬ শতাংশ ফাঁকা।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের ২০২৬ সালের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। তাতে সরকারি প্রতিষ্ঠানে অনুমোদিত পদ ১৯ লাখ ৮৬ হাজার ২৭২টি, কর্মরত ১৪ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫০ জন।

সংখ্যাগুলো হুবহু মিলে যায় ৭ জুলাইয়ের হিসাবের সঙ্গে। সেদিন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী সংসদে লিখিত প্রশ্নের জবাবে একই সংখ্যা জানিয়েছিলেন, যা ছিল ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য।

কালবেলা ও শিক্ষা সংবাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও তাঁদের অধীন কার্যালয়ে অনুমোদিত পদ ৪১ হাজার ৭৫৫টি, কর্মরত ২৭ হাজার ১৭৭ জন, শূন্য ১৪ হাজার ৫৭৮টি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব ৬২৯ পদের মধ্যে কর্মরত ৫০৫ জন, শূন্য ১২৪টি।

বৈঠকে জানানো হয়, শূন্য পদ পূরণে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রথম ১৮০ দিনে ২ হাজার ৮৭৯টি শূন্য পদ পূরণের লক্ষ্য ছিল, নিয়োগ হয়েছে ২ হাজার ৬১টিতে। কালবেলার তথ্যমতে, মন্ত্রণালয়ের নথিতে কোন মন্ত্রণালয়ে কত পদ খালি, কতজনকে নিয়োগ দেওয়া হবে এবং প্রক্রিয়া শেষের সময়সীমা কী, তা বিস্তারিত বলা নেই।

বৈঠকে বিরোধী দলের একজন সদস্য অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি এবং কোনো কোনো কর্মকর্তাকে রাজনৈতিক কারণে বদলি করা হয়েছে। কালবেলা জানিয়েছে, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিশেষ বিসিএসের নিয়োগ নিয়ে বিতর্কও বৈঠকে আলোচনায় আসে। মন্ত্রণালয়কে এ-সংক্রান্ত তথ্য কমিটির সামনে উপস্থাপনের অনুরোধ করা হয়। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের জবাব প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতে নেই।

সংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ‘সবার ওপরে বাংলাদেশ’ নীতি বাস্তবায়নে সরকারের কার্যক্রমে অসহযোগিতা বা অবহেলাকারীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছে কমিটি। কোন প্রকল্পে ধীরগতি আছে, তা অনুসন্ধানেরও সুপারিশ আছে। কালবেলার সূত্রে জানা গেছে, আলোচনায় কয়েকজন সদস্য বলেন, সরকারি কাজে ক্ষতিকর ভূমিকা না থাকলে শুধু দলীয় পরিচয়ের কারণে কাউকে শাস্তি দেওয়া ঠিক হবে না। বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও ভূমিকা বিবেচনায় নেওয়ার কথা ওঠে।

কমিটির সভাপতি সাঈদ আহমেদ বলেন, সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কোনো আইনগত, প্রশাসনিক বা বাস্তব বাধা থাকলে তা কমিটির সামনে তুলে ধরতে হবে। কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁরা ‘প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী’, কোনো দল, ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নন। কমিটি রাষ্ট্র মেরামতে ৩১ দফা সংস্কার বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে সমন্বয়ের পরামর্শও দিয়েছে।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সাঈদ আহমেদ। সদস্যদের মধ্যে ছিলেন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান, শাহজাহান চৌধুরী, আমিরুল ইসলাম খান, ফখর উদ্দিন আহমেদ, রেহেনা আক্তার রানু ও নূরুল ইসলাম বুলবুল।

প্রতিবেদনটি আপনার কাছে কেমন লাগল?

অনলাইন ডেস্ক

মিহা নিউজ

এই প্রতিবেদনে কোনো তথ্যগত ভুল চোখে পড়লে সংশোধনী নীতি অনুযায়ী আমাদের জানান।

মন্তব্য

মন্তব্য দেখতে বা লিখতে চাপ দিন। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা মেনে প্রকাশ হয়।

আজ

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাঠের রং

এখন যা বেশি খোঁজা হচ্ছে

যেকোনো পাতায় / চাপলেই খোঁজ খুলবে। ফলাফলে বিভাগ, তারিখ ও ধরন দিয়ে ছাঁকতে পারবেন।