খুলনা নগরীতে প্রকাশ্যে যুবককে গুলি, দুই মোটরসাইকেল আরোহীর খোঁজে পুলিশ
খুলনা নগরীর কাশেম সড়কে শনিবার বিকেল পৌনে ৪টার দিকে আশিকুজ্জামান জনি (৩৪) গুলিবিদ্ধ হন। মোটরসাইকেলে আসা দুজন দুই রাউন্ড গুলি ছুড়ে পালিয়ে যান। জনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি। হামলাকারীদের পরিচয় ও হামলার কারণ পুলিশ এখনো জানায়নি। এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ছিনতাইকারীর হামলায় পুলিশ…

খুলনা নগরীতে প্রকাশ্যে আশিকুজ্জামান জনি (৩৪) নামে এক যুবককে গুলি করে আহত করেছে মোটরসাইকেলে আসা দুই ব্যক্তি। শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে সদর থানা এলাকার কাশেম সড়কের তৃতীয় গলিতে এ ঘটনা ঘটে। একটি গুলি তাঁর কোমরের নিচের দিকে লাগে। স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে তাঁকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। স্টার নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাঁকে আশঙ্কামুক্ত বলেছেন।
জনি কাসেমনগর এলাকার বাসিন্দা। স্টার নিউজ জানিয়েছে, তিনি বটিয়াঘাটার জিএমআই গ্যাস কোম্পানিতে অপারেটর পদে কাজ করেন।
কালের কণ্ঠের প্রতিবেদনে সিসিটিভি ফুটেজের বরাতে বলা হয়েছে, হেলমেট পরা দুই যুবক মোটরসাইকেলে এসে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা জনির সঙ্গে কথা বলেন। পরে তাঁরা নেমে জনিকে ধাওয়া করে দুই রাউন্ড গুলি ছুড়ে পালিয়ে যান। জনি স্টার নিউজকে বলেছেন, বাড়ির সামনে দাঁড়ানো অবস্থায় কালো মোটরসাইকেলে মাস্ক পরা দুজন এসে কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি করে। দুটি বিবরণে হামলার শুরুর মুহূর্ত নিয়ে অমিল আছে।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেন রিপন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হামলার কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। আজকের পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে এবং জড়িতদের ধরতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান হচ্ছে। হামলাকারীদের পরিচয় ও উদ্দেশ্য এখনো জানা যায়নি, কেউ গ্রেপ্তার হয়েছেন কি না সূত্রে তা উল্লেখ নেই।
এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নগরীর খানজাহান আলী রোডে খুলনা কলেজিয়েট স্কুলের সামনে পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলম (৪৩) ছিনতাইকারীদের হামলায় গুরুতর আহত হন। পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুক জানিয়েছেন, রূপসা থানায় বিশেষ অভিযান শেষে ফেরার পথে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তিনি জখম হন। শাহ আলম এখন ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শুক্রবার রাতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এক উপপরিদর্শক (এসআই) সদর থানায় মামলা করেন, যাতে অজ্ঞাতপরিচয় তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।
ওই ঘটনার পর জেলা পুলিশ সদস্যদের রাতে একা চলাচল না করার নির্দেশ দিয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, রূপসা, তেরখাদা, দিঘলিয়া ও বটিয়াঘাটা থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চলছে এবং এ সময় পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে। জনিকে গুলির সঙ্গে পুলিশ পরিদর্শকের ওপর হামলার কোনো সম্পর্ক আছে কি না, সূত্রগুলোতে এমন কোনো তথ্য নেই।




