জামালপুরে কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে মক্তবের শিক্ষক মুছা মিয়ার যাবজ্জীবন
জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ রোববার (২৫ অক্টোবর) মুছা মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। ২০২০ সালের ২৮ নভেম্বর দেওয়ানগঞ্জের একটি মসজিদে মক্তবে পড়তে যাওয়া ১৫ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়। ইত্তেফাকের তথ্যমতে, রায়ে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ডও হয়েছে। অর্থ ভুক্তভোগীকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।#Jamalpur #Dewanganj #RapeCase #MeehaNews

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে মক্তবে পড়তে যাওয়া এক কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে মুছা মিয়া ওরফে মুছা হুজুরকে (২৭) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দণ্ডিত মুছা মিয়া গাইবান্ধার ফুলছড়ি থানার হরিচণ্ডী গ্রামের মো. মনিরুল ইসলামের ছেলে। রায়ে তাঁকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। ইত্তেফাকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই অর্থ ভুক্তভোগীকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২০ সালের ২৮ নভেম্বর দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার একটি মসজিদে ঘটনাটি ঘটে। তখন ভুক্তভোগীর বয়স ছিল ১৫ বছর। সে ওই মসজিদে আরবি পড়তে যেত। মুছা মিয়া সেখানে ইমামতি করতেন এবং আরবি পড়াতেন। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তিনি কিশোরীকে ধর্ষণ করেছেন। একই অভিযোগ ওই বছরের ১ ও ২ ডিসেম্বরের দুটি ঘটনা নিয়েও আছে।
কিশোরীর আচরণে পরিবর্তন দেখে তার মা বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর ২০২০ সালের ৮ ডিসেম্বর তিনি দেওয়ানগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৫ মে পুলিশ আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। বিচারে ১০ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামির উপস্থিতিতেই আদালত রায় দিয়েছেন। রায়ে তাঁরা সন্তুষ্ট।





