ঈশ্বরদী-আটঘরিয়ার শীর্ষ তিন আওয়ামী লীগ নেতা ঢাকায় গ্রেপ্তার
পাবনার ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের তিন শীর্ষ নেতাকে সোমবার রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুরের একটি ভাড়া ফ্ল্যাট থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার হয়েছেন ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ মিন্টু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোকলেসুর রহমান মিন্টু এবং আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম রতন। পুলিশের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আত্মগোপনে থেকে তাঁরা দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে।#Bangladesh #Pabna #AwamiLeague #Arrest #MeehaNews

পাবনার ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের তিন শীর্ষ নেতাকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডে প্রিয়াংকা কমিউনিটি সেন্টারের পাশের একটি ভবনের ভাড়া ফ্ল্যাট থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। ফ্ল্যাটটি ভবনের পঞ্চম তলায়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন:
আবুল কালাম আজাদ মিন্টু: ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র।
মোকলেসুর রহমান মিন্টু: ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান।
শহিদুল ইসলাম রতন: আটঘরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র।
আজ মঙ্গলবার সকালে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবদুল হালিম বলেন, “গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।” আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের ঈশ্বরদী থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে জানান তিনি। কোন কোন মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে, তা জানা যায়নি।
পুলিশ সূত্রের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তিনজনই ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া ছেড়ে ঢাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, এ সময় তাঁরা মুঠোফোনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং নিজ এলাকায় দলের কার্যক্রম জোরদারের চেষ্টা করছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম বর্তমানে নিষিদ্ধ।
আমার দেশের খবর অনুযায়ী, ওসি আসাদুর রহমান জানিয়েছেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনসংক্রান্ত একটি মামলায় জামিনে মুক্ত হওয়ার পর আত্মগোপনে যান আবুল কালাম আজাদ মিন্টু। অন্য দুজন ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকেই পলাতক ছিলেন।
গ্রেপ্তার নেতাদের বা তাঁদের পরিবারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। গ্রেপ্তারের খবরে ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়ার রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।





